প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইলেকশনে প্রশাসন জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে আবারও ৫ আগস্ট
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বিগত তিনটি ইলেকশনে পুলিশ, প্রশাসনকে সামনে রেখে দিনের ভোট রাতে হয়েছে, মরা মানুষ এসে ভোট দিয়েছে, যার ফল হিসেবে ৫ আগস্ট হয়েছে। তবে প্রশাসনের অনেকেই চায় একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক ইলেকশনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিকরা ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু কিছু লোভী লোক এখনো আগের মতো আচরণ করছে।তিনি বলেন, এই নির্বাচন চব্বিশের শহিদ আর আহতদের ঋণ। খুন, নিপীড়নের জবাব দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচনের জন্য বহু রক্ত ঝরেছে। অনেক স্ত্রী স্বামী হারিয়েছে, অনেক মা তার সন্তান হারিয়েছে। তাই আগামী নির্বাচন প্রশাসন জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে আবারও একটি ৫ আগস্ট হবে।ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই দেশকে ভোট চোরদের হাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, নাকি জনগণের হাতে দেওয়া হবে—সেই সিদ্ধান্ত প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ১১-দফা দাবি সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আমজাদ হোসাইন আশরাফীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গত দেড় বছরে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির টাকা এখন ইলেকশনে আনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তবে আমরা জনগণের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই। তারা ১১ তারিখ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে চাঁদাবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে। মানুষ চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজিতে অতিষ্ঠ। তাই ১১-দফার ভোটই একমাত্র বাংলাদেশ গড়বে, সেই বাংলাদেশ হবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।তিনি বলেন, সে ক্ষেত্রে ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা টাকার কাছে গোলামী স্বীকার করবে, নাকি সঠিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পাঁচ বছরের জন্য মালিক হবে।এ সময় মিডিয়ার সমালোচনা করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা দেখলাম, সারা মিডিয়া, সব জায়গায় একটি দলের শুধু বন্দনা-প্রশংসা, শুধুমাত্র বিএনপির জন্য। মিডিয়া খবরের মাধ্যমে মাধ্যমে বিএনপির প্রচারণা চালাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে আপনারা যদি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করেন, জনগণ এবার মিডিয়াকেও লাল কার্ড দেখাবে।
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত