চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সকাল, প্রিয় পাঠক!

ঠাকুরগাঁওয়ে পরকীয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে একঘরে রাখার অভিযোগ।



ঠাকুরগাঁওয়ে পরকীয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে একঘরে রাখার অভিযোগ।

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া গ্রামের হাজীপাড়ায় পরকীয়ার ঘটনায় মতিয়ার রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে একঘরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ও ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।


    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে মতিয়ার রহমানের পরকীয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে ওই নারীর স্বামী স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন। পরে গ্রামবাসী মতিয়ার রহমানকে আটক করে গণধোলাই দেয় এবং পরে ছেড়ে দেয়।

    ঘটনার পর ৭ অক্টোবর গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মতিয়ার রহমানকে সামাজিকভাবে একঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নিজের পরিবার ছাড়া গ্রামের কারও সঙ্গে কথা বলতে বা মিশতে পারবেন না।


    এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকে আবার সামাজিক শৃঙ্খলার দোহাই দিয়ে এই শাস্তিকে সমর্থন করছেন।


    আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পরকীয়া নিয়ে বিচার বা শাস্তি দেওয়ার অধিকার গ্রাম্য সালিশের নেই। এ ধরনের ঘটনা আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে বিচার করলে তা মানবাধিকারের পরিপন্থী হয়ে পড়ে।


    স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬


    ঠাকুরগাঁওয়ে পরকীয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে একঘরে রাখার অভিযোগ।

    প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫

    featured Image

    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া গ্রামের হাজীপাড়ায় পরকীয়ার ঘটনায় মতিয়ার রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে একঘরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ও ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।


    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে মতিয়ার রহমানের পরকীয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে ওই নারীর স্বামী স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন। পরে গ্রামবাসী মতিয়ার রহমানকে আটক করে গণধোলাই দেয় এবং পরে ছেড়ে দেয়।

    ঘটনার পর ৭ অক্টোবর গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মতিয়ার রহমানকে সামাজিকভাবে একঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নিজের পরিবার ছাড়া গ্রামের কারও সঙ্গে কথা বলতে বা মিশতে পারবেন না।


    এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকে আবার সামাজিক শৃঙ্খলার দোহাই দিয়ে এই শাস্তিকে সমর্থন করছেন।


    আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পরকীয়া নিয়ে বিচার বা শাস্তি দেওয়ার অধিকার গ্রাম্য সালিশের নেই। এ ধরনের ঘটনা আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে বিচার করলে তা মানবাধিকারের পরিপন্থী হয়ে পড়ে।


    স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।