ফাগুনের প্রথম দিন ও ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর উপচে পড়া ভিড়ে মুখর থাকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। তবে এবার চিত্র ভিন্ন। পর্যটকের উপস্থিতি কম থাকায় সৈকতজুড়ে বিরাজ করছে অস্বাভাবিক নীরবতা। স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে টানা প্রায় দুই সপ্তাহের স্থবিরতার প্রভাবেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য সেবাখাতের উদ্যোক্তারা জানান, ভালোবাসা দিবস ও বসন্তের শুরু ঘিরে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হলেও বুকিং আশানুরূপ হয়নি। আবাসিক হোটেলের অধিকাংশ কক্ষ খালি পড়ে থাকায় আর্থিক চাপ বেড়েছে ব্যবসায়ীদের ওপর।কুয়াকাটা হোটেল মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সভাপতি আবদুল মোতালেব শরীফ জানান, সাগর কন্যা পোর্টালের প্রতিবেদনএর মাধ্যমে বলেন, “ফাগুনের প্রথম দিন ও ভালোবাসা দিবসে সাধারণত কোনো কক্ষ খালি থাকে না। কিন্তু এবার অতিথি খুবই কম। নির্বাচনের প্রভাব ও অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ ভ্রমণে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”সংখ্যায় কম হলেও যারা এসেছেন, তারা নিরিবিলি পরিবেশে সমুদ্রের নোনা জলে গা ভাসিয়ে সময় উপভোগ করছেন। কেউ সৈকতে হাঁটছেন, কেউ ঘুরে দেখছেন আশপাশের দর্শনীয় স্থান। ভিড় কম থাকায় অনেকে বলছেন, শান্ত পরিবেশে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের ভিন্ন অনুভূতি মিলছে।যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সৈকত এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আশা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে পটুয়াখালী–এর এই জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র।