নিরাপদ ও জনবান্ধব রাষ্ট্র গঠনে আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডা. শফিকুর রহমানের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার।বৃহস্পতিবার আখাউড়া পৌরসভায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ইদ্রিস মিয়া।আতাউর রহমান সরকার বলেন, দেশের অতীত শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে জনগণকে শোষণ করেছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও চাঁদাবাজি-দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ।তিনি আরও বলেন, জনগণ যদি তাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠায়, তাহলে আখাউড়া ও কসবাকে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং উন্নত একটি আদর্শ মডেল অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এলাকার মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধান করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।আতাউর রহমান সরকার বলেন, “আমরা জনগণের শাসক হতে চাই না, আমরা জনগণের খাদেম হতে চাই। একটি সত্যিকারের জনবান্ধব রাষ্ট্র গড়তে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”তিনি আরও বলেন, কসবা–আখাউড়াকে একটি নিরাপদ জনপদে পরিণত করতে যা যা প্রয়োজন, তা-ই করা হবে। প্রয়োজনে জনগণের পাশে থাকতে জীবন দিতেও তিনি প্রস্তুত রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।পথসভায় জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা–নোয়াখালী অঞ্চলের জামায়াতে ইসলামীর টিম সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যক্ষ কাজী নজরুল ইসলাম খাদেম।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া পৌরসভা আমীর মোরশেদুল আলম, কসবা উপজেলার সাবেক সেক্রেটারি মুন্সীজাদা বরকতুল্লাহ, জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক সাইফুল আল আরিফ, আখাউড়া উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শেখ আসিফ, সেক্রেটারি আবদুল্লাহ ইবনে মাহবুব, এনসিপি নেতা ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।