চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সন্ধ্যা, প্রিয় পাঠক!

তিন দফা দাবিতে শাজাহানপুরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে কর্মবিরতি



তিন দফা দাবিতে শাজাহানপুরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে কর্মবিরতি

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    “যে জাতি গড়েন সমাজ, আজ সেই শিক্ষকই অধিকারবঞ্চিত” — এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিবাদে অচল শিক্ষাঙ্গন

    বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এবং তিন দফা দাবির দাবিতে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে একযোগে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।

    উপজেলার আওতাধীন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি মানা না হলে কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।

    তিন দফা প্রধান দাবি:

    ১. আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর পুলিশের হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি

    ২. পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও টাইমস্কেল প্রদান

    ৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ, মর্যাদাসম্পন্ন ও পেশাদার কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা

    স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, “শান্তিপূর্ণভাবে ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করলেও পুলিশ যেভাবে হামলা চালিয়েছে, তা শিক্ষকদের জন্য অপমানজনক ও অগ্রহণযোগ্য। আমরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। এবার আর পিছু হটবো না।”

    তারা জানান, তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত পাঠদান ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

    কর্মবিরতির কারণে উপজেলার প্রায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে এসে ফিরে যাচ্ছে। অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, “শিক্ষকদের প্রতি অবিচার মেনে নেওয়া যায় না, তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও যেন দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”

    শিক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিক্ষক সমাজকে অবহেলার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। জাতি গঠনের প্রধান কারিগরদের এভাবে বঞ্চিত করা হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    শিক্ষকদের দাবি বাস্তব ও যৌক্তিক — এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল। অবিলম্বে আলোচনার মাধ্যমে দাবি বাস্তবায়নের পথ খুঁজে না পেলে অচলাবস্থা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬


    তিন দফা দাবিতে শাজাহানপুরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে কর্মবিরতি

    প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫

    featured Image

    “যে জাতি গড়েন সমাজ, আজ সেই শিক্ষকই অধিকারবঞ্চিত” — এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিবাদে অচল শিক্ষাঙ্গন

    বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এবং তিন দফা দাবির দাবিতে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে একযোগে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।

    উপজেলার আওতাধীন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি মানা না হলে কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।

    তিন দফা প্রধান দাবি:

    ১. আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর পুলিশের হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি

    ২. পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও টাইমস্কেল প্রদান

    ৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ, মর্যাদাসম্পন্ন ও পেশাদার কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা

    স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, “শান্তিপূর্ণভাবে ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করলেও পুলিশ যেভাবে হামলা চালিয়েছে, তা শিক্ষকদের জন্য অপমানজনক ও অগ্রহণযোগ্য। আমরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। এবার আর পিছু হটবো না।”

    তারা জানান, তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত পাঠদান ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

    কর্মবিরতির কারণে উপজেলার প্রায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে এসে ফিরে যাচ্ছে। অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, “শিক্ষকদের প্রতি অবিচার মেনে নেওয়া যায় না, তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও যেন দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”

    শিক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিক্ষক সমাজকে অবহেলার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। জাতি গঠনের প্রধান কারিগরদের এভাবে বঞ্চিত করা হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    শিক্ষকদের দাবি বাস্তব ও যৌক্তিক — এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল। অবিলম্বে আলোচনার মাধ্যমে দাবি বাস্তবায়নের পথ খুঁজে না পেলে অচলাবস্থা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    LIVE TV
    Watch Live
    App Icon
    Install App

    দ্রুত খবর পড়তে অ্যাপটি ইন্সটল করুন

    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।