চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সকাল, প্রিয় পাঠক!

নেত্রকোনার পূর্বধলায় বর্গাচাষীদের ওপর হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন


প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ 1 মি. | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড ভুল রিপোর্ট

নেত্রকোনার পূর্বধলায় বর্গাচাষীদের ওপর হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    নেত্রকোনার পূর্বধলায় বর্গা নেওয়া জমির ধান কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে বর্গাচাষীদের ওপর হামলা, মারধর এবং পরবর্তীতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


    ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার কুমারখালি বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


    মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, আগিয়া ইউনিয়নের কালডোয়ার গ্রামের শাফিউন চৌধুরীর কাছ থেকে এক বছর আগে একই গ্রামের আবুল কুদ্দুসের পরিবার ৩৮ শতক ধানী জমি বর্গা নেন। বোরো মৌসুমে চুক্তি অনুযায়ী ফসলের অর্ধেক জমির মালিক এবং অর্ধেক বর্গাচাষীরা বুঝে নেন। তবে চলতি আমন মৌসুমে দেখা দেয় জটিলতা।


    অভিযোগ অনুযায়ী, জমির মালিক শাফিউন চৌধুরীর নির্দেশে বর্গাচাষীরা ধান কাটতে গেলে তার প্রথম পক্ষের সন্তানরা বাধা প্রদান করেন এবং পুরো ফসলের দাবি তোলেন। পরবর্তীতে মালিকের পুনরায় নির্দেশে বর্গাচাষীরা ধান কেটে মাড়াই শুরু করলে প্রথম পক্ষের সন্তানেরা বর্গাচাষী রাজিয়া আক্তার, আব্দুল কদ্দুস ও জামাল মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন।


    ঘটনার পর গ্রাম্য সালিশে সিদ্ধান্ত হয়-শাফিউন চৌধুরীর দুই পরিবার ধান বণ্টন করে নেবে। কিন্তু প্রথম পক্ষের সন্তানরা সালিশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ১৩ জন বর্গাচাষী ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে গত ২৮ অক্টোবর আদালতে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় একজন ইতোমধ্যে ৪ দিন জেল খাটে।  কয়েকজন আদালত থেকে জামিন নিলেও। বাকিরা গ্রেপ্তারের ভয়ে পলাতক জীবনযাপন করছেন।


    মামলার আরেক আসামি মো. কামাল মিয়া মানববন্ধনে অভিযোগ করে বলেন, "মামলার বাদীপক্ষ প্রভাবশালী। বিশেষ করে উপজেলা এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, তার ছোট ভাই কথিত পুলিশের এসআই মিলু চৌধুরী ও বোন নাসরিন সুলতানা পিংকি ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাদের হুমকি দিচ্ছেন। 


    বর্গাচাষি রাজিয়া খাতুন জানান,  আমার বৃদ্ধ স্বামীকে মারধর করে উল্টো আমাদের বাড়িঘরে হামলা ভাঙ্গচুরসহ স্বর্ণালংকার লুটের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমি এ প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।


    মামলার আরেক আসামি মো. মাফিজ মিয়া বলেন, "ঘটনার সময় উপস্থিত না থেকেও আমাকে এবং আমার পরিবারের ৪ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার আমার ছেলের বিয়ের দিন ঠিক করা হয়েছে, অথচ এখন সে মামলার আসামি। পুলিশের ভয়ে আমরা ঘরেই থাকতে পারছি না, বিয়ের আয়োজন তো দূরের কথা।"


    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজিয়া আক্তার, মো. কামাল মিয়া, হাফিজ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, হানিফ মিয়া, লাল চাঁন মিয়া, দুলাল মিয়া, জামাল মিয়া, রহিম উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


    বক্তারা প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হয়রানিমূলক মামলা থেকে ভুক্তভোগীদের অব্যাহতি এবং প্রকৃত দোষীদের বিচারের জোর দাবি জানান।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬


    নেত্রকোনার পূর্বধলায় বর্গাচাষীদের ওপর হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    প্রকাশের তারিখ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫

    featured Image

    নেত্রকোনার পূর্বধলায় বর্গা নেওয়া জমির ধান কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে বর্গাচাষীদের ওপর হামলা, মারধর এবং পরবর্তীতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


    ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার কুমারখালি বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


    মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, আগিয়া ইউনিয়নের কালডোয়ার গ্রামের শাফিউন চৌধুরীর কাছ থেকে এক বছর আগে একই গ্রামের আবুল কুদ্দুসের পরিবার ৩৮ শতক ধানী জমি বর্গা নেন। বোরো মৌসুমে চুক্তি অনুযায়ী ফসলের অর্ধেক জমির মালিক এবং অর্ধেক বর্গাচাষীরা বুঝে নেন। তবে চলতি আমন মৌসুমে দেখা দেয় জটিলতা।


    অভিযোগ অনুযায়ী, জমির মালিক শাফিউন চৌধুরীর নির্দেশে বর্গাচাষীরা ধান কাটতে গেলে তার প্রথম পক্ষের সন্তানরা বাধা প্রদান করেন এবং পুরো ফসলের দাবি তোলেন। পরবর্তীতে মালিকের পুনরায় নির্দেশে বর্গাচাষীরা ধান কেটে মাড়াই শুরু করলে প্রথম পক্ষের সন্তানেরা বর্গাচাষী রাজিয়া আক্তার, আব্দুল কদ্দুস ও জামাল মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন।


    ঘটনার পর গ্রাম্য সালিশে সিদ্ধান্ত হয়-শাফিউন চৌধুরীর দুই পরিবার ধান বণ্টন করে নেবে। কিন্তু প্রথম পক্ষের সন্তানরা সালিশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ১৩ জন বর্গাচাষী ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে গত ২৮ অক্টোবর আদালতে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় একজন ইতোমধ্যে ৪ দিন জেল খাটে।  কয়েকজন আদালত থেকে জামিন নিলেও। বাকিরা গ্রেপ্তারের ভয়ে পলাতক জীবনযাপন করছেন।


    মামলার আরেক আসামি মো. কামাল মিয়া মানববন্ধনে অভিযোগ করে বলেন, "মামলার বাদীপক্ষ প্রভাবশালী। বিশেষ করে উপজেলা এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, তার ছোট ভাই কথিত পুলিশের এসআই মিলু চৌধুরী ও বোন নাসরিন সুলতানা পিংকি ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাদের হুমকি দিচ্ছেন। 


    বর্গাচাষি রাজিয়া খাতুন জানান,  আমার বৃদ্ধ স্বামীকে মারধর করে উল্টো আমাদের বাড়িঘরে হামলা ভাঙ্গচুরসহ স্বর্ণালংকার লুটের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমি এ প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।


    মামলার আরেক আসামি মো. মাফিজ মিয়া বলেন, "ঘটনার সময় উপস্থিত না থেকেও আমাকে এবং আমার পরিবারের ৪ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার আমার ছেলের বিয়ের দিন ঠিক করা হয়েছে, অথচ এখন সে মামলার আসামি। পুলিশের ভয়ে আমরা ঘরেই থাকতে পারছি না, বিয়ের আয়োজন তো দূরের কথা।"


    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজিয়া আক্তার, মো. কামাল মিয়া, হাফিজ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, হানিফ মিয়া, লাল চাঁন মিয়া, দুলাল মিয়া, জামাল মিয়া, রহিম উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


    বক্তারা প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হয়রানিমূলক মামলা থেকে ভুক্তভোগীদের অব্যাহতি এবং প্রকৃত দোষীদের বিচারের জোর দাবি জানান।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।