চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সকাল, প্রিয় পাঠক!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের এসআইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের এসআইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের এসআইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার এক উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ অর্থ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন কসবা থানার এসআই মনির হোসেন, যিনি বর্তমানে কসবা থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগী নারী মাকছুদা আক্তার অভিযোগ করে জানান, তার জা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে মামলা নং( সি আর-৮৩৬) ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় কসবা থানা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত হন এসআই মনির হোসেন। অভিযোগে বলা হয়, তদন্ত চলাকালে এসআই মনির হোসেন মাকছুদা আক্তারের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ভুক্তভোগী ও তার প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে দণ্ডবিধির একাধিক ধারা ৪৪৭/৪৪৮/৪৬৭/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬/৩৪সহ গুরুতর অপরাধ দেখানো হয়, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী। আরও অভিযোগ করা হয়, এসআই মনির হোসেন বাদী আকলিমা আক্তারের নিকট আত্মীয় হওয়ায় তিনি পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুক্তভোগী পরিবারকে হয়রানি করছেন। 


    এমনকি আরও মামলা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

    তিন সন্তানের জননী মাকছুদা আক্তার বলেন, “আমার স্বামী একজন প্রবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মামলা দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”


    এ বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা-আখাউড়া সার্কেল), কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,  কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত এসআই মনির হোসেনকে অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


    এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন—অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রশাসন আদৌ কি ব্যবস্থা নেবে?

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬


    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের এসআইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

    প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

    featured Image

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার এক উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ অর্থ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন কসবা থানার এসআই মনির হোসেন, যিনি বর্তমানে কসবা থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগী নারী মাকছুদা আক্তার অভিযোগ করে জানান, তার জা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে মামলা নং( সি আর-৮৩৬) ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় কসবা থানা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত হন এসআই মনির হোসেন। অভিযোগে বলা হয়, তদন্ত চলাকালে এসআই মনির হোসেন মাকছুদা আক্তারের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ভুক্তভোগী ও তার প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে দণ্ডবিধির একাধিক ধারা ৪৪৭/৪৪৮/৪৬৭/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬/৩৪সহ গুরুতর অপরাধ দেখানো হয়, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী। আরও অভিযোগ করা হয়, এসআই মনির হোসেন বাদী আকলিমা আক্তারের নিকট আত্মীয় হওয়ায় তিনি পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুক্তভোগী পরিবারকে হয়রানি করছেন। 


    এমনকি আরও মামলা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

    তিন সন্তানের জননী মাকছুদা আক্তার বলেন, “আমার স্বামী একজন প্রবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মামলা দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”


    এ বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা-আখাউড়া সার্কেল), কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,  কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত এসআই মনির হোসেনকে অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


    এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন—অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রশাসন আদৌ কি ব্যবস্থা নেবে?


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।