পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ৭নং লতাচাপলী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দিয়ার আমখোলা গ্ৰামে সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
গত (৩১ ডিসেম্বর) আনুমানিক রাত ৩টার দিকে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লতাচাপলী ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনছার উদ্দিন মোল্লার বাড়ির হাঁসের খোপের তালা ভেঙে ১০টি দেশি পাতি হাঁস চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। চুরি হওয়া হাঁসের আনুমানিক মূল্য ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।
সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনছার উদ্দিন মোল্লা নিজ বাড়িতে বসবাস না করায় সেখানে তার দুইজন কাজের লোক থাকেন। ঘটনার দিন রাতে কাজের লোক ইলিয়াস নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এবং বাড়িতে ছিলেন কেবল একজন মহিলা কাজের লোক, যিনি গভীর ঘুমে থাকায় চুরির বিষয়টি টের পাননি।
সকালে কাজের লোক ইলিয়াস ও মহিলা কাজের লোক হাঁসের খোপ খুলতে গিয়ে দেখতে পান একটি খোপের দরজার হুক ভাঙা এবং ১০টি হাঁস নেই।
এ বিষয়ে কাজের লোক ইলিয়াস বলেন,
“সকালে এসে দেখি হাঁসের খোপের দরজা ভাঙা এবং ১০টি দেশি পাতি হাঁস চুরি হয়ে গেছে। তবে কাউকে সন্দেহ করার মতো কোনো সূত্র পাওয়া যায়নি।”
অন্যদিকে মহিলা কাজের লোক জানান,
“রাত ৯টার পর ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে উঠে খোপ খুলতে গিয়ে দেখি দরজার হুক ভাঙা এবং ১০টি হাঁস নেই। এভাবে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে।”
প্রতিবেশী হাছান বলেন,
“আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। ধারণা করা হচ্ছে, তরুণ বয়সী কিছু ছেলেপেলে এসব করছে। চোর ধরা পড়লে আসল ঘটনা জানা যাবে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আবুল বাশার মোল্লা জানান,
“এখন থেকে আমরা সবাই সতর্ক রয়েছি। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে চোর ধরার চেষ্টা করছি।”
এলাকাবাসী আরও জানান, প্রায় ১৫ দিন আগে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িসহ আশপাশের প্রায় ৩টি বাড়িতে রান্নাঘরের করাই-বাটিসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা ঘটে।
এছাড়া এক মাস আগে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনছার উদ্দিন মোল্লার ১টি ছাগল চুরির ঘটনাও ঘটে।
সকালে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনছার উদ্দিন মোল্লাকে বিষয়টি জানাতে প্রতিবেশীরা ফোন করলে তিনি পরে ফোন ধরে ঘটনার কথা শুনে গভীর দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ঘনঘন চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তবে এখনো পর্যন্ত চোর চক্র ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
আপনার মতামত লিখুন