বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ দুপুর, প্রিয় পাঠক!

কমরেড মণি সিংহের ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত



কমরেড মণি সিংহের ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    টংক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহ এর ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নানা আয়োজনে দিনব্যাপি এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। 


    এ উপলক্ষে স্থানীয় টংঙ্ক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ও কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর চত্ত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কমরেড মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে পুষ্পস্তবক অর্পন, শোকর‌্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বিকেলে আলোচনা সভায় মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক, ডা. দিবালোক সিংহ এর সভাপতিত্বে ও সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় কমরেড মণি সিংহের জীবনীর উপর আলোচনা করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. তাইয়েবুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক অজয় সাহা, উপজেলা বিএনপির সহ:সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন মুকুল, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উদীচী উপজেলা সংসদের সভাপতি শামছুল আলম খান, কমরেড মনিসিংহ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ডাঃ সাকি খন্দকার, মেলা কমিটির সদস্য শফিউল আলম স্বপন, কবি বিদ্যুৎ সরকার সহ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন ও ক্ষেত মজুর সমিতির নেতৃবৃন্দ। 


    আলোচনার শুরুতেই দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরবর্তিতে কমরেড মণিসিংহের জীবনীর উপর আলোচনা কালে বক্তারা বলেন, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে কেশরাম কটন মিলে শ্রমিকদের ১৩ দিন ব্যাপী ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিয়ে দাবি আদায়ের মাধ্যমে মণি সিংহ রাজনৈতিক কর্মকান্ডে প্রথম সফলতা অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সুসং-দুর্গাপুরে আসেন। এখানে অবস্থানকালে এখানকার কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে নেত্রকোণায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কিষাণ সভার মহাসম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ও অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। 


    সারাজীবন মেহনতি মানুষের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী রাজনীতি করে গেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মহান নেতার জীবনী তুলে ধরতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের আজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


    কমরেড মণি সিংহের ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত

    প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

    featured Image

    টংক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহ এর ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নানা আয়োজনে দিনব্যাপি এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। 


    এ উপলক্ষে স্থানীয় টংঙ্ক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ও কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর চত্ত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কমরেড মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে পুষ্পস্তবক অর্পন, শোকর‌্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বিকেলে আলোচনা সভায় মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক, ডা. দিবালোক সিংহ এর সভাপতিত্বে ও সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় কমরেড মণি সিংহের জীবনীর উপর আলোচনা করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. তাইয়েবুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক অজয় সাহা, উপজেলা বিএনপির সহ:সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন মুকুল, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উদীচী উপজেলা সংসদের সভাপতি শামছুল আলম খান, কমরেড মনিসিংহ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ডাঃ সাকি খন্দকার, মেলা কমিটির সদস্য শফিউল আলম স্বপন, কবি বিদ্যুৎ সরকার সহ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন ও ক্ষেত মজুর সমিতির নেতৃবৃন্দ। 


    আলোচনার শুরুতেই দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরবর্তিতে কমরেড মণিসিংহের জীবনীর উপর আলোচনা কালে বক্তারা বলেন, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে কেশরাম কটন মিলে শ্রমিকদের ১৩ দিন ব্যাপী ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিয়ে দাবি আদায়ের মাধ্যমে মণি সিংহ রাজনৈতিক কর্মকান্ডে প্রথম সফলতা অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সুসং-দুর্গাপুরে আসেন। এখানে অবস্থানকালে এখানকার কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে নেত্রকোণায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কিষাণ সভার মহাসম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ও অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। 


    সারাজীবন মেহনতি মানুষের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী রাজনীতি করে গেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মহান নেতার জীবনী তুলে ধরতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের আজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত