বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ দুপুর, প্রিয় পাঠক!

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত



চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, অস্থায়ী বা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থায় আর নয়—চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    শনিবার নগরীর মোজাফফর নগরের মীর্জা খাল সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন মেয়র। এ সময় তিনি খালের বর্তমান অবস্থা, পানি প্রবাহ, দখল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

    মেয়র বলেন, “এ বছর বর্ষা মৌসুমে আগের তুলনায় নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমেছে। তবে কিছু এলাকায় চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের কারণে সাময়িকভাবে পানি জমেছে। বিষয়টি বুঝতে আমি নিজেই পানিতে নেমে নালা পরিষ্কার করেছি, সমস্যার উৎস খুঁজেছি। পরিষ্কারের পরও যখন পানি উঠেছে, তখন স্পষ্ট হয়েছে—এটি টেম্পোরারি সমাধানে সম্ভব নয়, এখানে পারমানেন্ট সলিউশন প্রয়োজন।”

    তিনি জানান, স্থায়ী সমাধানের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের মাধ্যমে নগরীর ৩৬টি খাল খননের কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকা খালগুলোর সংস্কার ও খননের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব উদ্যোগে বাকি খালগুলো খনন ও পুনঃসংস্কারের কাজ বাস্তবায়ন করবে।

    মেয়র আরও বলেন, “চসিকের উদ্যোগে নগরীর প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার ড্রেন উন্নয়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়বে এবং চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসন হবে।”

    খাল দখল প্রসঙ্গে মেয়র কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, “খাল দখল করে কেউ পার পাবে না। খাল নগরীর প্রাণপ্রবাহ। যেসব স্থানে অবৈধ দখল রয়েছে, সেগুলোর  অনেকগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাকীগুলোও  চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নগরীর স্বার্থে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

    খাল ও নালায় বর্জ্য ফেলার বিষয়ে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “খাল-নালায় ময়লা ফেলা জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে। যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেললে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং জলাবদ্ধতা ফিরে আসবে।”

    পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


    চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

    প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬

    featured Image

    চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, অস্থায়ী বা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থায় আর নয়—চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    শনিবার নগরীর মোজাফফর নগরের মীর্জা খাল সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন মেয়র। এ সময় তিনি খালের বর্তমান অবস্থা, পানি প্রবাহ, দখল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

    মেয়র বলেন, “এ বছর বর্ষা মৌসুমে আগের তুলনায় নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমেছে। তবে কিছু এলাকায় চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের কারণে সাময়িকভাবে পানি জমেছে। বিষয়টি বুঝতে আমি নিজেই পানিতে নেমে নালা পরিষ্কার করেছি, সমস্যার উৎস খুঁজেছি। পরিষ্কারের পরও যখন পানি উঠেছে, তখন স্পষ্ট হয়েছে—এটি টেম্পোরারি সমাধানে সম্ভব নয়, এখানে পারমানেন্ট সলিউশন প্রয়োজন।”

    তিনি জানান, স্থায়ী সমাধানের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের মাধ্যমে নগরীর ৩৬টি খাল খননের কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকা খালগুলোর সংস্কার ও খননের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব উদ্যোগে বাকি খালগুলো খনন ও পুনঃসংস্কারের কাজ বাস্তবায়ন করবে।

    মেয়র আরও বলেন, “চসিকের উদ্যোগে নগরীর প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার ড্রেন উন্নয়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়বে এবং চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসন হবে।”

    খাল দখল প্রসঙ্গে মেয়র কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, “খাল দখল করে কেউ পার পাবে না। খাল নগরীর প্রাণপ্রবাহ। যেসব স্থানে অবৈধ দখল রয়েছে, সেগুলোর  অনেকগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাকীগুলোও  চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নগরীর স্বার্থে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

    খাল ও নালায় বর্জ্য ফেলার বিষয়ে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “খাল-নালায় ময়লা ফেলা জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে। যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেললে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং জলাবদ্ধতা ফিরে আসবে।”

    পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত