বিশ্ব রাজনীতির প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সেলিব্রিটিদের সঙ্গে একই কাতারে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন তারেক রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জনপ্রিয়তা ও আলোচনার দিক থেকে তিনি এখন বিশ্বের শীর্ষ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যম বিশ্লেষণধর্মী আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট সোশ্যাল ব্লেড প্রকাশিত ‘টপ ১০০ ফেসবুক ক্রিয়েটরস বাই সোশ্যাল’ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন তারেক রহমান। সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় তার অবস্থান ৬৪তম।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—ফেসবুকে তাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত কনটেন্টের সংখ্যার ভিত্তিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়েও এগিয়ে রয়েছেন। একই তালিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান ৬৭তম। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা ও আলোচনার ব্যাপ্তি আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
সোশ্যাল ব্লেডের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ বলতে শুধু নিজে কনটেন্ট তৈরি করা নয়; বরং যেসব ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি পোস্ট, ভিডিও, গ্রাফিক্স ও বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট প্রকাশিত হয়—তাদেরই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই হিসেবে তারেক রহমান বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ও আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটিদের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছেন।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত বক্তব্য ও দিকনির্দেশনার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হচ্ছে। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে তার কনটেন্টের পরিসর দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমান সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী মতপ্রকাশের মাধ্যম। সেই মাধ্যমে তারেক রহমানের এই অবস্থান প্রমাণ করে—তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেতা নন, বরং বৈশ্বিক পরিসরে আলোচিত ও প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
ফেসবুকে বিশ্বের শীর্ষ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমানের এই অর্জন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আপনার মতামত লিখুন