চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সন্ধ্যা, প্রিয় পাঠক!

আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী



আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক মরহুম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ। 


    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমানের পিতার নাম মনসুর রহমান। তিনি পেশায় ছিলেন একজন রসায়নবিদ।


    বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব ও কৈশোর অতিবাহিত করার পর জিয়াউর রহমান পিতার সাথে তার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গণমানুষের কাছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। একজন সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও তার জীবনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দেশের সকল সঙ্কটে তিনি ত্রাণকর্তা হিসেবে বার বার অবতীর্ণ হয়েছেন। দেশকে সংকট থেকে মুক্ত করেছেন। অস্ত্র হাতে নিয়ে নিজে যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধ শেষে আবার পেশাদার সৈনিক জীবনে ফিরে গেছেন। জিয়াউর রহমান সময়ের প্রয়োজনেই প্রায় সাড়ে চার দশক আগে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তার গড়া সে রাজনৈতিক দল তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত। আর বেগম খালেদা জিয়া দেশের জনপ্রিয় নেতৃত্বে পরিণত হয়ে ওঠেন। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা এবং বেগম খালেদা জিয়ার নিজস্ব নেতৃত্বের গুণে তিনি পর পর তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।


    স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে যখন মানুষের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করেছিল তেমনই এক সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার এক বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতার হাল ধরেন।


    জিয়াউর রহমানের সৈনিক ও রাজনৈতিক জীবনের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম প্রতিটি মানুষ শ্রদ্ধাভরে এখনো স্মরণ করে। একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবেও তার পরিচিতি সর্বজনবিদিত। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও দিকনির্দেশনা। 



    অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসীকতা, সততা-নিষ্ঠা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক জিয়াউর রহমানের অবদান দেশের জন্য অসামান্য অবদান অমলিন হয়ে থাকবে যুগযুগ ধরে। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সাথে তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেন। সেসময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন তিনি। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীদের বিশ্ব মানচিত্রে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত করিয়েছেন স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে। জাতির মর্যাদাকেও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত করেছেন তাঁর শাসনামলে।


    জিয়াউর রহমানের সৈনিক ও রাজনৈতিক জীবনের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম প্রতিটি মানুষ শ্রদ্ধাভরে এখনো স্মরণ করে। একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবেও তার পরিচিতি সর্বজনবিদিত। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও দিক-নির্দেশনা। তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি দেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালে কয়েকবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। তার এই অসামান্য অবদানের কথা বাঙালি জাতি কখনো ভুলতে পারবেনা।


    দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬


    আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী

    প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

    featured Image

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক মরহুম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ। 


    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমানের পিতার নাম মনসুর রহমান। তিনি পেশায় ছিলেন একজন রসায়নবিদ।


    বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব ও কৈশোর অতিবাহিত করার পর জিয়াউর রহমান পিতার সাথে তার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গণমানুষের কাছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। একজন সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও তার জীবনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দেশের সকল সঙ্কটে তিনি ত্রাণকর্তা হিসেবে বার বার অবতীর্ণ হয়েছেন। দেশকে সংকট থেকে মুক্ত করেছেন। অস্ত্র হাতে নিয়ে নিজে যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধ শেষে আবার পেশাদার সৈনিক জীবনে ফিরে গেছেন। জিয়াউর রহমান সময়ের প্রয়োজনেই প্রায় সাড়ে চার দশক আগে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তার গড়া সে রাজনৈতিক দল তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত। আর বেগম খালেদা জিয়া দেশের জনপ্রিয় নেতৃত্বে পরিণত হয়ে ওঠেন। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা এবং বেগম খালেদা জিয়ার নিজস্ব নেতৃত্বের গুণে তিনি পর পর তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।


    স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে যখন মানুষের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করেছিল তেমনই এক সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার এক বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতার হাল ধরেন।


    জিয়াউর রহমানের সৈনিক ও রাজনৈতিক জীবনের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম প্রতিটি মানুষ শ্রদ্ধাভরে এখনো স্মরণ করে। একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবেও তার পরিচিতি সর্বজনবিদিত। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও দিকনির্দেশনা। 



    অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসীকতা, সততা-নিষ্ঠা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক জিয়াউর রহমানের অবদান দেশের জন্য অসামান্য অবদান অমলিন হয়ে থাকবে যুগযুগ ধরে। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সাথে তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেন। সেসময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন তিনি। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীদের বিশ্ব মানচিত্রে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত করিয়েছেন স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে। জাতির মর্যাদাকেও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত করেছেন তাঁর শাসনামলে।


    জিয়াউর রহমানের সৈনিক ও রাজনৈতিক জীবনের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম প্রতিটি মানুষ শ্রদ্ধাভরে এখনো স্মরণ করে। একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবেও তার পরিচিতি সর্বজনবিদিত। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও দিক-নির্দেশনা। তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি দেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালে কয়েকবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। তার এই অসামান্য অবদানের কথা বাঙালি জাতি কখনো ভুলতে পারবেনা।


    দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    LIVE TV
    Watch Live
    App Icon
    Install App

    দ্রুত খবর পড়তে অ্যাপটি ইন্সটল করুন

    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।