বিএনপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও খুনের রাজনীতির অভিযোগ তুলে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানানো হয়।
রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাদ মাগরিব নির্বাচনী জামায়াত অফিস মিঠাপুকুর ডিসির মোড়থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান শিমুল আমির মিঠাপুকুর উপজেলা শাখা,মাওলানা শফিকুল ইসলাম সেক্রেটারি মিঠাপুকুর উপজেলা শাখা,হাফেজ গোলাম রব্বানী সভাপতি যুব বিভাগ মিঠাপুকুর উপজেলা শাখা, মেহেদী হাসান সেক্রেটারি যুব বিভাগ মিঠাপুকুর উপজেলা শাখা, হারুন অর রশিদ চেয়ারম্যান সাঈদী স্মৃতি সংসদ, ফারুক হোসেন ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদী স্মৃতি সংসদ,শফিকুল ইসলাম ভাই চেয়ারম্যান সাঈদীর স্মৃতি সংসদ,আব্দুস সালাম খন্দকার আমির ১৪ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন শাখা, শাহ হাফিজুর রহমান ফকির সেক্রেটারি ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন শাখা, সাজেদুর রহমান সবুজ কোষাধ্যক্ষ যুব বিভাগ ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন শাখা, আলমগীর কবীর সহকারী সেক্রেটারি যুব বিভাগ ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন শাখা, আহাদ মন্ডল সেক্রেটারি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ১৪ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন শাখা,আখের,জামায়াত নেতা ,রাকিব জামায়াত নেতা,মিথুন জামায়াত নেতা,মোকতার জামায়াত নেতা,মাহবুবুর রহমান, জামায়াত নেতা,চাঁদ জামায়াত নেতা,বাকী জামায়াত নেতা, স্বপন প্রধান জামায়াত নেতা,আলামিন বেগ জামায়াত নেতা,রিপুল জামায়াত নেতা,মুজাহিদ,মুসা,আলম,এনামুল,মিঠুল,নুর ইসলাম জামায়াত নেতাসহ হাজার হাজার নেতা কর্মী।
উপজেলা আমির আসাদুজ্জামান শিমুল বলেন, গত দেড় বছরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও রাহাজানির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি জড়িত দল বিএনপি। নিজেদের দলের ভেতরেই দুই শতাধিক হত্যার ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যাদের হাতে নিজেদের দলের লোক নিরাপদ নয়, তাদের হাতে দেশ কীভাবে নিরাপদ থাকবে?
তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দেশে ফিরে দলকে শৃঙ্খলায় আনার আশা থাকলেও বাস্তবে নারী নির্যাতন, হামলা ও চাঁদাবাজি বেড়েছে। বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তায়। শেরপুরের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হলে প্রশাসনের পরিণতিও ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। একই সঙ্গে যেকোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও হত্যার বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়,যেখানে বক্তারা হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।কোনো হামলা, মামলা বা প্রতিহিংসা আমাদেরকে থামাতে পারবে না। আমাদের এ পথচলা চিরস্থায়ী। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের চর্চা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রমে এমন হামলা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে। প্রশাসনকে নির্বাচনী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।
মিছিলে ‘মানুষ খুনের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘বিচার চাই, মানুষ হত্যার বিচার চাই’, ‘মানুষ খুনের মাস্টার প্ল্যান’, ‘শেরপুরে মানুষ খুন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়। সন্ত্রাসীদের কালো হাত,ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও।অবিলম্বে খুনিদের, গ্রেফতার করো করতে হবে ইত্যাদি।
বিক্ষোভ মিছিলটি ডিসির মোড় এলাকা থেকে থানার সামনে দিয়ে গড়ের মাথা হয়ে ওভার ব্রিজের নিচে এসে শেষ হয়।
আপনার মতামত লিখুন