চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ রাত্রি, প্রিয় পাঠক!

রনজুয়ারা সিপুকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের দাবি



রনজুয়ারা সিপুকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের দাবি

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপুকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি জাতীয় সংসদে উপকূলীয় নারী ও সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরতে সক্ষম হবেন।


    জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার লেমুয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বরগুনা মহকুমায় রূপান্তরের অন্যতম সংগঠক প্রবীণ ব্যক্তিত্ব প্রয়াত মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম গেন্দু পঞ্চায়েতের কন্যা অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৯৯৪ সালে বরিশাল বিএম কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কলেজ ছাত্রদলের কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।


    পরবর্তীতে তিনি বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১১ সাল থেকে নানা রাজনৈতিক চাপ ও হয়রানির মুখোমুখি হলেও তিনি এলাকা ছাড়েননি। ২০১২ সালে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখায় একাধিকবার পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও জানা গেছে।


    ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার তাকে বরগুনা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি নির্যাতিত নারী ও শিশুদের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে অধিকারবঞ্চিত নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করছেন।


    পাথরঘাটার তানিয়া আক্তার ও তালতলীর রাবেয়া বেগম বলেন, অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিলে তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। তারা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে তার মনোনয়ন প্রদানের দাবি জানান।


    এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু বলেন, ছাত্রদল থেকে বিএনপির রাজনীতিতে আমার হাতেখড়ি। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি, একাধিক মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছি। কিন্তু দল থেকে কখনও বিচ্যুত হইনি। দলের প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কোনো দায়িত্ব দিলে তা মাথা পেতে নেব। তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলে যুক্ত হয়েই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি। এখনও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক

    আপনার মতামত লিখুন

    চ্যানেল এ

    সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


    রনজুয়ারা সিপুকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের দাবি

    প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    featured Image

    বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপুকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি জাতীয় সংসদে উপকূলীয় নারী ও সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরতে সক্ষম হবেন।


    জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার লেমুয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বরগুনা মহকুমায় রূপান্তরের অন্যতম সংগঠক প্রবীণ ব্যক্তিত্ব প্রয়াত মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম গেন্দু পঞ্চায়েতের কন্যা অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৯৯৪ সালে বরিশাল বিএম কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কলেজ ছাত্রদলের কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।


    পরবর্তীতে তিনি বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১১ সাল থেকে নানা রাজনৈতিক চাপ ও হয়রানির মুখোমুখি হলেও তিনি এলাকা ছাড়েননি। ২০১২ সালে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখায় একাধিকবার পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও জানা গেছে।


    ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার তাকে বরগুনা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি নির্যাতিত নারী ও শিশুদের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে অধিকারবঞ্চিত নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করছেন।


    পাথরঘাটার তানিয়া আক্তার ও তালতলীর রাবেয়া বেগম বলেন, অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিলে তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। তারা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে তার মনোনয়ন প্রদানের দাবি জানান।


    এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু বলেন, ছাত্রদল থেকে বিএনপির রাজনীতিতে আমার হাতেখড়ি। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি, একাধিক মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছি। কিন্তু দল থেকে কখনও বিচ্যুত হইনি। দলের প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কোনো দায়িত্ব দিলে তা মাথা পেতে নেব। তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলে যুক্ত হয়েই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি। এখনও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    LIVE TV
    Watch Live
    App Icon
    Install App

    দ্রুত খবর পড়তে অ্যাপটি ইন্সটল করুন