কসবায় দ্বীন ইসলাম হত্যাকাণ্ড নিয়ে গ্রামের বিবাদমান দুটো পক্ষ একে অপরকে ফাঁসাতে চেষ্টা করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে হত্যাকাণ্ডের ৩০ ঘন্টা পর ও মামলা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডের পর গত ২৪ মার্চ গভীর রাতবদি ঘটনাস্থলে ছিলেন এসপি সার্কেল কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা।
মামলা নিয়ে গ্রামের এক পক্ষ আরেক পক্ষকে ফাঁসাতে চায় এমন বিষয়টি কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানার নজরে আনলে তিনি বলেন ,আশা করছি এমন কিছু কেউ করতে পারবে না। আমরা ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছি এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ গুলো খতিয়ে দেখব।
তিনি বলেন সবে মাত্র আজ লাশ হস্তান্তর করেছি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডোম ও চিকিৎসকের অভাবে ময়নাতদন্ত করতে বিলম্ব করেছে। দ্বীন ইসলামের পরিবার এজহার নিয়ে আসুক। ২৪ মার্চ রাতে দুজনকে আটক করার বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের আসামি হিসেবে আটক করা হয়নি ।তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। নাজনীন সুলতানা আরো বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা শতভাগ স্বচ্ছ থাকব এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের মুখোমুখি করব।
আপনার মতামত লিখুন