চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সকাল, প্রিয় পাঠক!

মিঠাপুকুরে যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত



মিঠাপুকুরে যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস  উদযাপিত

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    আজ ২৬শে মার্চ ২০২৬ (১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

    মিঠাপুকুর উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো।১৯৭১ সালের এই দিনে হাজার বছরের সংগ্রামী বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জন করে।


    মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়।এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অতিথিরা।


    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাপুকুর আসনের সংসদ সদস্য মোঃগোলাম রাব্বানী এমপি।তিনি তার বক্তব্যে স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং বীর শহিদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মাওলানা  এনামুল হক, সেক্রেটারী রংপুর জেলা শাখা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, মোঃগোলাম রাব্বানী,সভাপতি বিএনপি মিঠাপুকুর উপজেলা শাখা, মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান মিয়া সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা,কর্মচারী, শিক্ষক,ছাত্র জনতা উপস্থিত ছিলেন। 


    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো:পারভেজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিঠাপুকুর। 


    প্রধান অতিথি বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন।আজ থেকে ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে ডাক এসেছিল দেশকে পাকিস্তানি হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার। আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের।

    পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। জাতি অর্জন করেছিল একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত।

    গোটা জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। অবনত চিত্তে শ্রদ্ধা জানাবে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে অসামান্য আত্মত্যাগকারী বাংলার অকুতোভয় বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী মহান নেতাদের। পাশাপাশি গোটা দেশ আজ মেতে উঠবে স্বাধীনতার উৎসবের আমেজে। 



    অন্যান্য বক্তারা বলেন, ৯ মাস চলা এই মুক্তিযুদ্ধে রচিত হয় ইতিহাসের মহীয়ান অধ্যায় ও মুক্তিকামী বাংলার মানুষের বীরত্বগাথা। আরেক দিকে ছিল হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও লুটতরাজের কলঙ্কিত অধ্যায়। 

    একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিশ্ব মানচিত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

    ২৬ মার্চ তাই কেবল একটি তারিখ মাত্র নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের জন্মদিন। এ দিনটি আমাদের জাতিসত্তার আত্মবিকাশের সূচনালগ্ন। বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিকস্বরূপ এ দিন থেকেই সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।


    এদিন সরকারি ছুটি। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হবে।



    কুচকাওয়াজ শেষে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং তাদের বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক
    খবরটি রেটিং দিন
    গড় রেটিং: 4.8/5 (142 ভোট)
    Google News

    গুগল নিউজে ফলো করুন

    সবার আগে সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

    Follow

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হোন

    খবরের সব আপডেট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে যুক্ত থাকুন

    Join Now
    মোঃ সাজেদুর রহমান

    মোঃ সাজেদুর রহমান

    মিঠাপুকুর, প্রতিনিধি

    তিনি নিয়মিত রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আপনার মতামত লিখুন

    Loading...

    পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...

    চ্যানেল এ

    শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬


    মিঠাপুকুরে যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

    প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

    featured Image

    আজ ২৬শে মার্চ ২০২৬ (১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

    মিঠাপুকুর উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো।১৯৭১ সালের এই দিনে হাজার বছরের সংগ্রামী বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জন করে।


    মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়।এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অতিথিরা।


    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাপুকুর আসনের সংসদ সদস্য মোঃগোলাম রাব্বানী এমপি।তিনি তার বক্তব্যে স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং বীর শহিদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মাওলানা  এনামুল হক, সেক্রেটারী রংপুর জেলা শাখা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, মোঃগোলাম রাব্বানী,সভাপতি বিএনপি মিঠাপুকুর উপজেলা শাখা, মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান মিয়া সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা,কর্মচারী, শিক্ষক,ছাত্র জনতা উপস্থিত ছিলেন। 


    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো:পারভেজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিঠাপুকুর। 


    প্রধান অতিথি বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন।আজ থেকে ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে ডাক এসেছিল দেশকে পাকিস্তানি হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার। আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের।

    পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। জাতি অর্জন করেছিল একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত।

    গোটা জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। অবনত চিত্তে শ্রদ্ধা জানাবে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে অসামান্য আত্মত্যাগকারী বাংলার অকুতোভয় বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী মহান নেতাদের। পাশাপাশি গোটা দেশ আজ মেতে উঠবে স্বাধীনতার উৎসবের আমেজে। 



    অন্যান্য বক্তারা বলেন, ৯ মাস চলা এই মুক্তিযুদ্ধে রচিত হয় ইতিহাসের মহীয়ান অধ্যায় ও মুক্তিকামী বাংলার মানুষের বীরত্বগাথা। আরেক দিকে ছিল হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও লুটতরাজের কলঙ্কিত অধ্যায়। 

    একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিশ্ব মানচিত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

    ২৬ মার্চ তাই কেবল একটি তারিখ মাত্র নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের জন্মদিন। এ দিনটি আমাদের জাতিসত্তার আত্মবিকাশের সূচনালগ্ন। বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিকস্বরূপ এ দিন থেকেই সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।


    এদিন সরকারি ছুটি। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হবে।



    কুচকাওয়াজ শেষে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং তাদের বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।