চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সন্ধ্যা, প্রিয় পাঠক!

বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে-একসাথে কবর! হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা



বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে-একসাথে কবর! হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা
ছবি : দূর্ঘটনায় স্টারলাইন বাস ও প্রাইভেটকার

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর এক পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নিহতরা হলেন-নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মুফতি আব্দুল মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪০), মেয়ে লাবিবা (১৮), ছেলে সাইফ (৭) এবং প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২)। গুরুতর আহত হয়েছেন মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১২), যিনি বর্তমানে কুমিল্লার ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুফতি আব্দুল মমিন ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। ঈদের ছুটি উপলক্ষে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে জেলা শহর মাইজদীতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন। ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন।
    পথিমধ্যে দ্রুতগামী স্টারলাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক জামাল হোসেন নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে চারজনের মৃত্যু হয়।


    জানা যায়, নিহত মুফতি আব্দুল মমিন চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের মাতম চলছে।
    সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাশার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেছে। একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক বিরাজ করছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তাদের লাশ লক্ষ্মীপুর জেলার তিতারকান্দিতে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।


    এদিকে দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করা হলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও প্রাইভেটকার থানায় জব্দ করা হয়েছে।
    এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং দায়িত্বহীন গাড়ি চালনার ভয়াবহ পরিণতি সামনে এনেছে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক
    খবরটি রেটিং দিন
    গড় রেটিং: 4.8/5 (142 ভোট)
    Google News

    গুগল নিউজে ফলো করুন

    সবার আগে সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

    Follow

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হোন

    খবরের সব আপডেট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে যুক্ত থাকুন

    Join Now

    বিষয় : সংঘর্ষ

    মোহাম্মদ আবু নাছের

    মোহাম্মদ আবু নাছের

    প্রতিবেদক, চ্যানেল এ

    তিনি নিয়মিত রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আপনার মতামত লিখুন

    Loading...

    পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...

    চ্যানেল এ

    শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬


    বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে-একসাথে কবর! হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা

    প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

    featured Image

    ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর এক পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নিহতরা হলেন-নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মুফতি আব্দুল মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪০), মেয়ে লাবিবা (১৮), ছেলে সাইফ (৭) এবং প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২)। গুরুতর আহত হয়েছেন মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১২), যিনি বর্তমানে কুমিল্লার ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুফতি আব্দুল মমিন ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। ঈদের ছুটি উপলক্ষে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে জেলা শহর মাইজদীতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন। ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন।
    পথিমধ্যে দ্রুতগামী স্টারলাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক জামাল হোসেন নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে চারজনের মৃত্যু হয়।


    জানা যায়, নিহত মুফতি আব্দুল মমিন চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের মাতম চলছে।
    সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাশার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেছে। একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক বিরাজ করছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তাদের লাশ লক্ষ্মীপুর জেলার তিতারকান্দিতে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।


    এদিকে দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করা হলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও প্রাইভেটকার থানায় জব্দ করা হয়েছে।
    এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং দায়িত্বহীন গাড়ি চালনার ভয়াবহ পরিণতি সামনে এনেছে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।