ব্রাক্ষণবাড়িয়া কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের গংঙানগর ব্রীজ থেকে ভৈরব নগর শসান মাটি রাস্তার মেরামতের সরকারী বরাদ্দ হয় , রাস্তার সংস্কারের কাজটির দায়িত্ব পান কুটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক হোসেন , তবে তার সহযোগী আরেক জনের নাম ও বলেন স্থানীয় কাশেম মেম্বারের নাম ও উঠে আসে ,লোকজন অভিযোগ করে বলেন রাস্তার পাশের সকল গাছ কেটে নিয়ে যায় , আমরা বাধা দিলে বলেন উপজেলা প্রশাসনের থেকে অনুমতি নিয়ে আসছি ,তবে ২৮ মার্চ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংবাদিকরা সরজমিনে গেলে দেখা যায় রাস্তার পাশে থাকা প্রায় শত শত কাটা গাছের গোড়ালী দেখা যায় , তবে স্থানীয়দের দাবী ৫০০ শতাদিক এর মত গাছ ছিল যার মুল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা হতে পারে , অভিযোগ কারীএকজন বলেন আমি রাজশাহী থেকে ৯ হাজার টাকা দিয়ে কিনে এনে দুইটা আমের গাছ লাগিয়েছি ,অনেক অনুরোধ করার পরেও এই গাছ গুলো ও কেটে ফেলে ,তবে স্থানীয় যারা জায়গার মালিক তারা বলছেন গাছ গুলো আমরা দেখবাল করেছি , গাছ কাটার সময় আমরা গাছের ভাগ চাইলে আমাদের কে টাকা দিয়ে কিনে নেওয়ার কথা বলে ,
এই বিষয়ে অভিযোক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনর সংঘে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে বলেন ,আমি উপজেলায় আবেদন করেছি রাস্তার পাশের আগাছা পরিস্কার করার জন্য ,তবে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে করলে অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিনা , তিনি এই বিষয়টি এড়িয়ে যান ,তবে তিনি বলেন যদি ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকার যদি কোনো ক্ষতিপূরণ চাই আমি দিয়ে দিবো।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই বিষয়ে তিনি অবগত নয় এই ঘটনা সত্য কি না ক্ষতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
আপনার মতামত লিখুন