চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ দুপুর, প্রিয় পাঠক!

রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে উত্তেজনা: পিআইও অফিস ঘিরে সংঘর্ষ, পাল্টা



রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে উত্তেজনা: পিআইও অফিস ঘিরে সংঘর্ষ, পাল্টা
রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে উত্তেজনা: পিআইও অফিস ঘিরে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি


    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়কে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পিআইও ও তার দপ্তরিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। অপরদিকে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গণঅধিকার পরিষদের নেতারাও হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার তার কার্যালয়ে অফিস সংক্রান্ত কাজ করছিলেন। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুন, উপজেলা সভাপতি সোহরাব আলী ও সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীসহ কয়েকজন নেতা সেখানে উপস্থিত হন। অফিস সময়ের পরও দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে পিআইওর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।

    পিআইও কার্যালয়ের দপ্তরি আইয়ুব আলী জানান, তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মারধর করা হচ্ছিল দেখে তিনি বাধা দিতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়। তিনি বলেন, দরজা বন্ধ করতে গেলে তার মাথা ও গালে আঘাত করা হয় এবং তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।

    অন্যদিকে পিআইও নুরনবী সরকার অভিযোগ করেন, এর আগেও গণঅধিকার পরিষদের নেতা মামুনুর রশিদ মামুন তার কাছে বিভিন্ন প্রকল্পে ভাগবাটোয়ারার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তার কার্যালয়ে এসে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় তাকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং অফিসের ভেতরে ভাঙচুরও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে ছাত্রদল ও যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত হন। পরে গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

    তবে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, অফিস সময় শেষ হওয়ার পরও কার্যালয় খোলা থাকায় বিষয়টি জানতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছাত্রদলের পলাশ চৌধুরী, মমিন, মুক্তারুল ও শাওয়ালের নেতৃত্বে ইউএনও কার্যালয়ের সিঁড়িতে তার ওপর হামলা করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে পলাশ চৌধুরী, মমিন ও মুক্তার জানান, তারা উপজেলা গেটের সামনে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে স্থানীয়দের সঙ্গে তারা ভেতরে গিয়ে দেখেন পিআইওকে মারধর করা হচ্ছে। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন বলে দাবি করেন।

    খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম ও রাণীশংকৈল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

    রাণীশংকৈল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক
    খবরটি রেটিং দিন
    গড় রেটিং: 4.8/5 (142 ভোট)
    Google News

    গুগল নিউজে ফলো করুন

    সবার আগে সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

    Follow

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হোন

    খবরের সব আপডেট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে যুক্ত থাকুন

    Join Now
    হাসিনুজ্জামান মিন্টু

    হাসিনুজ্জামান মিন্টু

    রানীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

    তিনি নিয়মিত রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আপনার মতামত লিখুন

    Loading...

    পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...

    চ্যানেল এ

    বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


    রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে উত্তেজনা: পিআইও অফিস ঘিরে সংঘর্ষ, পাল্টা

    প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

    featured Image


    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়কে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পিআইও ও তার দপ্তরিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। অপরদিকে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গণঅধিকার পরিষদের নেতারাও হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার তার কার্যালয়ে অফিস সংক্রান্ত কাজ করছিলেন। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুন, উপজেলা সভাপতি সোহরাব আলী ও সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীসহ কয়েকজন নেতা সেখানে উপস্থিত হন। অফিস সময়ের পরও দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে পিআইওর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।

    পিআইও কার্যালয়ের দপ্তরি আইয়ুব আলী জানান, তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মারধর করা হচ্ছিল দেখে তিনি বাধা দিতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়। তিনি বলেন, দরজা বন্ধ করতে গেলে তার মাথা ও গালে আঘাত করা হয় এবং তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।

    অন্যদিকে পিআইও নুরনবী সরকার অভিযোগ করেন, এর আগেও গণঅধিকার পরিষদের নেতা মামুনুর রশিদ মামুন তার কাছে বিভিন্ন প্রকল্পে ভাগবাটোয়ারার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তার কার্যালয়ে এসে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় তাকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং অফিসের ভেতরে ভাঙচুরও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে ছাত্রদল ও যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত হন। পরে গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

    তবে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, অফিস সময় শেষ হওয়ার পরও কার্যালয় খোলা থাকায় বিষয়টি জানতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছাত্রদলের পলাশ চৌধুরী, মমিন, মুক্তারুল ও শাওয়ালের নেতৃত্বে ইউএনও কার্যালয়ের সিঁড়িতে তার ওপর হামলা করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে পলাশ চৌধুরী, মমিন ও মুক্তার জানান, তারা উপজেলা গেটের সামনে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে স্থানীয়দের সঙ্গে তারা ভেতরে গিয়ে দেখেন পিআইওকে মারধর করা হচ্ছে। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন বলে দাবি করেন।

    খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম ও রাণীশংকৈল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

    রাণীশংকৈল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।