ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কুটি চৌমুহনী এলাকায় পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাতটার দিকে স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলো ঘুরে দেখা যায়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং নির্ধারিত দামের বাইরে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুটি চৌমুহনী ফিলিং স্টেশন পাম্পে সরকার নির্ধারিত দামই কার্যকর রয়েছে। এতে ভোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করলেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ার পরও দেশের বাজারে তার প্রতিফলন না থাকায় অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় মোটরচালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেই সুবিধা মিলছে না। ফলে পরিবহন ব্যয় কমছে না এবং এর প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণে সরকারকে আমদানি ব্যয়, ভর্তুকি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। এসব কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও তা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রতিফলিত নাও হতে পারে।
তবে সাধারণ ভোক্তারা দ্রুত জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দাম সমন্বয় করা হলে জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা হলেও কমে আসবে এবং বাজারে স্বস্তি ফিরবে।
আপনার মতামত লিখুন