চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সন্ধ্যা, প্রিয় পাঠক!

ধজনাগর সীমান্তে মৃত্যুর পর ফাঁস হচ্ছে সিন্ডিকেট, কসবা পুলিশের হাতে আটক ২ চোরাকারবারি



ধজনাগর সীমান্তে মৃত্যুর পর ফাঁস হচ্ছে সিন্ডিকেট, কসবা পুলিশের হাতে আটক ২ চোরাকারবারি
ধজনাগর সীমান্তে মৃত্যুর পর ফাঁস হচ্ছে সিন্ডিকেট, কসবা পুলিশের হাতে আটক ২ চোরাকারবারি

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    ধজনাগর সীমান্তে মৃত্যুর পর ফাঁস হচ্ছে সিন্ডিকেট, কসবা পুলিশের হাতে আটক ২ চোরাকারবারি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সীমান্তজুড়ে আবারও আলোচনায় এসেছে চোরাচালান সিন্ডিকেটের সক্রিয়তা। বিজিবির তথ্যমতে, সম্প্রতি ধজনগর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মালামাল পাচারের সময় বিএসএফ-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রশাসন ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও থেমে নেই সীমান্তপথের ঝুঁকিপূর্ণ বাণিজ্য।

    ঘটনার পর নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১০ মে) সকালে কসবায় গোপীনাথপুর ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন— মালু (৩৮) ও মনির (৩৫); উভয়ের বাড়ি কসবা উপজেলায়।

    পুলিশ জানায়, গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫ বস্তা বাসমতি চাল, ৩ বস্তা জিরা, ২ কার্টুন রেডবুল ও ১ বস্তা চশমা উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব পণ্য সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ধজনগরসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে চোরাচালান চক্র। এলাকার কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট নেতার ইশারায় এবং একাধিক চোরাচালান মামলার আসামিদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে প্রতিনিয়ত সীমান্ত পথে পাচার চলছে।

    ধজনগর, খামারপাড়া, পাতারিয়াদ্বার ও মধুপুরসহ একাধিক রুট ব্যবহার করে রাতের অন্ধকারে খাদ্যপণ্য, কসমেটিকসবিদেশি পণ্য পাচার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    সহজে অর্থ আয়ের আশায় অনেক যুবকও এই ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হলে চোরাচালান সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের নাম বেরিয়ে আসবে।

    ধজনগর সীমান্তে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক পরিবার এখন উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয়, সীমান্ত এলাকায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিও জরুরি।

    কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম রোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক
    খবরটি রেটিং দিন
    গড় রেটিং: 4.8/5 (142 ভোট)
    Google News

    গুগল নিউজে ফলো করুন

    সবার আগে সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

    Follow

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হোন

    খবরের সব আপডেট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে যুক্ত থাকুন

    Join Now

    বিষয় : চোরাকারবারি

    মোঃ শরীফুল ইসলাম

    মোঃ শরীফুল ইসলাম

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কসবা উপজেলা প্রতিনিধি

    তিনি নিয়মিত রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আপনার মতামত লিখুন

    Loading...

    পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...

    চ্যানেল এ

    রোববার, ১০ মে ২০২৬


    ধজনাগর সীমান্তে মৃত্যুর পর ফাঁস হচ্ছে সিন্ডিকেট, কসবা পুলিশের হাতে আটক ২ চোরাকারবারি

    প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

    featured Image

    ধজনাগর সীমান্তে মৃত্যুর পর ফাঁস হচ্ছে সিন্ডিকেট, কসবা পুলিশের হাতে আটক ২ চোরাকারবারি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সীমান্তজুড়ে আবারও আলোচনায় এসেছে চোরাচালান সিন্ডিকেটের সক্রিয়তা। বিজিবির তথ্যমতে, সম্প্রতি ধজনগর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মালামাল পাচারের সময় বিএসএফ-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রশাসন ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও থেমে নেই সীমান্তপথের ঝুঁকিপূর্ণ বাণিজ্য।

    ঘটনার পর নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১০ মে) সকালে কসবায় গোপীনাথপুর ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন— মালু (৩৮) ও মনির (৩৫); উভয়ের বাড়ি কসবা উপজেলায়।

    পুলিশ জানায়, গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫ বস্তা বাসমতি চাল, ৩ বস্তা জিরা, ২ কার্টুন রেডবুল ও ১ বস্তা চশমা উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব পণ্য সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ধজনগরসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে চোরাচালান চক্র। এলাকার কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট নেতার ইশারায় এবং একাধিক চোরাচালান মামলার আসামিদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে প্রতিনিয়ত সীমান্ত পথে পাচার চলছে।

    ধজনগর, খামারপাড়া, পাতারিয়াদ্বার ও মধুপুরসহ একাধিক রুট ব্যবহার করে রাতের অন্ধকারে খাদ্যপণ্য, কসমেটিকসবিদেশি পণ্য পাচার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    সহজে অর্থ আয়ের আশায় অনেক যুবকও এই ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হলে চোরাচালান সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের নাম বেরিয়ে আসবে।

    ধজনগর সীমান্তে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক পরিবার এখন উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয়, সীমান্ত এলাকায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিও জরুরি।

    কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম রোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।