বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
চ্যানেল এ
ডিসপ্লে সেটিংস
×
...
...
২৮°C
আংশিক মেঘলা

আপনি কী খুঁজতে চান?

"চাকরি" ফলাফল তারিখ নির্বাচন

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, কওমী মাদরাসার শিক্ষকদের স্কুল-কলেজে চাকরি দেয়া হবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, কওমী মাদরাসার শিক্ষকদের স্কুল-কলেজে চাকরি দেয়া হবে, সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামা দল দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারী) সকালে পৌরশহরের মারকাজ মসজিদ মাঠে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।দোয়া মাহফিল পুর্ব আলোচনা সভায় জমিয়তে বাংলাদেশ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মুফতি আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, জমিয়তে বাংলাদেশ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, সাধারন সম্পাদক মাওলানা এনাতুল্লাহ খান, যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ মিজানুর রহমান, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ হাসান সহ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামা দলের নেতাকর্মীগণ। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দীন মাস্টার, পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সহ-সভাপতি আইনুল হক বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী সহ বিএনপি ও তার সকল অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীগণ।দোয়া মাহফিল পুর্ব আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। উনি কেমন লোক ছিলেন, উনার নামাজে জানাযাতেই তা প্রমান হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানুষ তাঁর রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ ও অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি ছিলেন আপোষহীন ও দৃঢ়চেতা একজন রাষ্ট্রনায়ক, আলেম উলামাদের ছায়া শক্তি, যিনি দেশের সংকটময় সময়ে গণতন্ত্র রক্ষায় নিঃস্বার্থভাবে ভূমিকা রেখেছেন, কখনোই দেশ ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা করেননি। আপোষহীন নেত্রীর মৃত্যুতে দেশ এক রাজনৈতিক অভিভাবক হারিয়েছে। আজকের এই দোয়া মাহফিলে আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ্ যেনো উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

ময়মনসিংহ ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
111

নবীনগরে উদ্যোক্তা তৈরি ও অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণের অষ্টম সেমিনার অনুষ্ঠিত

‎তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং আত্মনির্ভরশীল মানবসম্পদ তৈরি করার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সার্বজনীন গ্রুপের উদ্যোগে অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎‎সার্বজনীন গ্রুপের অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (২০ তম সেশন) অংশ হিসেবে অষ্টম এই সেমিনারটি আজ ২০ ডিসেম্বর নবীনগর পৌর শহরের আয়েশা আমজাদ টাওয়ারের তৃতীয় তলায়*অনুষ্ঠিত হয়।‎‎আয়োজক সূত্র জানায়, তরুণদের ইতিবাচক মাইন্ডসেট গড়ে তোলা, দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা হওয়ার বাস্তব দিকনির্দেশনা দিতে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মোট ৫৬ জন উদ্যমী তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করছেন, যারা নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।‎‎সেমিনারের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সার্বজনীন গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন শান্তি বলেন, “চাকরির পেছনে ছুটে নয়, নিজেদের ভেতরের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান সময় তরুণদের জন্য সম্ভাবনার সময়। সঠিক প্রশিক্ষণ, ধৈর্য ও পরিশ্রম থাকলে যে কেউ সফল উদ্যোক্তা হতে পারে।”‎‎তিনি আরও বলেন, সার্বজনীন গ্রুপ তরুণদের পাশে থেকে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শের মাধ্যমে একটি দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তুলতে কাজ করছে।‎‎সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সার্বজনীন গ্রুপের পরিচালক তানজিনা আক্তার শিলা, প্রশিক্ষক রুমা আক্তার, সমন্বয়ক জামাল হোসেন পান্না, প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মকর্তা এস. এ. রুবেল সহ সংশ্লিষ্টরা। তারা প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন এবং বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।‎‎আয়োজকরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল দক্ষতা, যোগাযোগ কৌশল, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং বাস্তব ব্যবসায়িক ধারণা দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ সহায়তা, পরামর্শ ও নেটওয়ার্কিং সাপোর্ট দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।‎‎সার্বজনীন গ্রুপের এই উদ্যোগ নবীনগরসহ আশপাশের এলাকার তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব সৃষ্টি, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চট্টগ্রাম ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
66

গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা

গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নে সরগঘাট বাজার সংলগ্ন জমিরিয়া মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতে ইসলামীর এক বিশাল জনসভা ও ভোজ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ৩ আসনের পদপ্রার্থী বাংলাদেশ জামেয়াতে ইসলামী এর মনোনীত প্রার্থী ডঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও আমীর ,বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী, গাজীপুর জেলা এবং সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, গাজীপুর জেলা।প্রধান অতিথি বক্তব্য বলেন, মাদক মুক্ত দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত করতে এবং পিরুজালী ইউনিয়নের সকল অসমাপ্ত কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে করার লক্ষ্যে তাকে যেন প্রথমবারের মতো দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন এবং তাকে একটিবার গাজীপুর ৩ আসনের এমপি পদে নির্বাচিত করে গাজীপুর ৩ আসনকে একটি ইসলামের আদর্শের মডেল গাজীপুর হিসেবে গড়তে প্রতিশ্রুতি  দেন এবং সকলের পাশে থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, কিছু কিছু মানুষ মহিলাদের কে নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছেন যেন জামাত ইসলামের নির্বাচনে পাশ করলে গার্মেন্টসে চাকরি করতে না পারবে না এবং মহিলাদের পর্দার আড়ালে থেকে বের হতে না পারবে না এই ধরনের গজব থেকে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন এসব গুজব থেকে যেন কেউ কান দেয় তিনি বলেন মহিলাদের সকল কাজ এবং গার্মেন্টসে চাকরিও করতে পারবে এবং পর্দা করে সকল কাজকর্ম করতে পারবে, তিনি আরো বলেন গাজীপুরবাসীকে ইসলামের আদর্শের আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন:-গাজীপুর জেলা আমীর উপজেলা আমীর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, পিরুজালী ইউনিয়ন আমীর ও সাধারণ সম্পাদক: মোঃ কামরুজ্জামান মন্ডল।এবং ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি, নাহিদ আলম ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি ,নূর হোসেন ৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি, ইসাহাক মুসল্লী ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি, দেওয়ান আমিনুল ইসলাম ৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি, তোফায়েল আহমেদ ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি, খোরশেদ আলম ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি, হাবিবুর রহমান ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি, সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি, আমিনুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
2672

‎জকসু হবে অথবা প্রশাসন ক্যাম্পাস ছাড়বে : ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের কঠোর হুশিয়ারি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত না হলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করে ক্যাম্পাস ছাড়তে হবে বলে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল।‎‎আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ হুশিয়ারি দেন প্যানেলের সমাজসেবা সম্পাদক পদপ্রার্থী ও শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস শেখ।‎‎ফেরদৌস শেখ বলেন, “বিভিন্ন মহল থেকে পরিকল্পিতভাবে জকসু নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা চলছে। ভূমিকম্পের অজুহাতে অযথা ছুটি বাড়িয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা দৃশ্যমান। জকসু নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা সহ্য করা হবে না।”‎‎তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন এক প্যানেলকে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে শোকজ নোটিশ দিলেও আরেকটি প্যানেলের প্রকাশ্য লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এতে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে গভীর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”‎‎সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক সংকটের বিষয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। তাদের দাবি‎ভূমিকম্পের পর ঘোষিত দুই সপ্তাহের ছুটি ছিল অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত। এতে সেমিস্টারসূচি, পরীক্ষা ও চাকরি আবেদনের সুযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, অথচ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর মেরামতে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।‎‎ফেরদৌস শেখ আরও বলেন, “সম্পূরক বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা সময়মতো প্রকাশ করতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যে তালিকা প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থাকলেও ডিসেম্বরেও তা প্রকাশ করা হয়নি।”প্যানেল এক সপ্তাহের মধ্যে বৃত্তির তালিকা প্রকাশের দাবি জানায়।‎‎দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশে প্রশাসনের অনীহা নিয়েও ক্ষোভ জানান প্যানেল নেতারা। তাদের অভিযোগ শ্বেতপত্র প্রকাশ না হওয়ায় প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে গেছে, এমনকি সেনাবাহিনীও সম্পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে না।এছাড়া ৭ একরের অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পেও ‘রহস্যজনক ধীরগতি’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।‎‎সংবাদ সম্মেলনের শেষে ফেরদৌস শেখ বলেন,‎“জকসু নির্বাচন যথাসময়ে করতে হলে আগামী রবিবারের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের; তাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া আমরা মেনে নেব না।”

শিক্ষাঙ্গন ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
416

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে প্রাথমিকের পরীক্ষা বর্জন কর্মবিরতিতে শিক্ষকরা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ১২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তবে সারা দেশের মতো এখানেও সহকারী শিক্ষকগণ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতিতে থাকায় পরীক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে দুর্গাপুর পৌরএলাকার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষকগণ পরীক্ষা বর্জন করে কর্মবিরতিতে অবস্থান নিয়েছেন। এসময় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিশ্বজিৎ সাহা এবং দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শামসুন্নাহার বেগম পরীক্ষা পরিচালনা করেন। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাজরিয়া ইয়াসমিন কাকন বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচি পালন করছি। আমি ২০ বছর ধরে একই পদে একই স্কেলে চাকরি করছি। বেতন স্কেল উন্নীতকরণ, উচ্চতর গ্রেড ও পদোন্নতি এই তিনটির কোনটাই আমরা পাচ্ছিনা। আমাদের দাবি পূরণ হলেই পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন শুরু করবো।অভিভাবগণ বলছেন, আমরা বিদ্যালয়ে এসে দেখি শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। সারা বছর পড়ালেখার পর পরীক্ষার সময় এমন পরিস্থিতি হবে এটা আমাদের কাম্য নয়। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনুক, এমন দাবি জানাচ্ছি আমরা।ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. শামসুন্নাহার বেগম বলেন, সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছেন এটা তাদের যৌক্তিক দাবি। যে কারণে তারা কর্মবিরতি পালন করছেন। পরীক্ষার রুটিন পূর্বনির্ধারিত ছিল এবং আজ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ এসে পরীক্ষা শুরু করেছেন। প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি এবং দপ্তরি মিলে পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করছি।এ নিয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, বিদ্যালয়ে এসে দেখি অভিভাবগণ অসন্তোস প্রকাশ করছেন। প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় পরীক্ষা শুরু করি। আমাদের উপজেলায় ১২৬টি বিদ্যালয় রয়েছে যার মধ্যে বেশিরভাগেই সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন, তারা আমাদের সহযোগিতা করছেন না। তারপরও আমরা উপস্থিত হয়ে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছি।

ময়মনসিংহ ০২ ডিসেম্বর ২০২৫
530

সরকারি ক্যালেন্ডারে যুক্ত হচ্ছে নতুন ছুটি

আসছে নতুন বছরে মোট ২৮ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করবে বাংলাদেশ, যার মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।চলতি ২০২৫ সালে ছুটি ছিল মোট ২৭ দিন। এর মধ্যে ১৩ দিন ছিল সাধারণ ছুটি, বাকি ১৫ দিনের ছুটি ছিল নির্বাহী আদেশে। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।মূলত ২০২৬ সালে ছুটি বাড়ছে একদিন। ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট এই ছুটিটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এদিন ‘সাধারণ ছুটি’।চলতি বছরের ২ জুলাই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার প্রতিবছর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দিবসটি পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন-সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর নির্বাহী আদেশে এবং সাধারণ ছুটি মিলিয়ে মোট ছুটি ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবার, এজন্য মূল ছুটি যেটা উইক ডে তে পড়েছে, সেটা হবে ১৯ দিন।প্রতি বছরই শহীদ দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ, মে দিবস উপলক্ষে পহেলা মে, বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি থাকে। এর সঙ্গে চলতি বছর থেকে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ৫ আগস্ট সাধারণ ছুটি চালু হয়েছে, যা চলতি বছরের ক্যালেন্ডারে যুক্ত ছিল না। ২০২৬ সালের সরকারি ক্যালেন্ডারে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং এদিন সাধারণ ছুটি থাকবে।

জাতীয় ০৭ নভেম্বর ২০২৫
548

বিমান মাইলস্টোনে না পড়ে সচিবালয়ে পড়া উচিত ছিল

বিমান মাইলস্টোন স্কুলে না পড়ে সচিবালয়ে পড়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।রবিবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে বিসিএস পরীক্ষাগুলোর অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সচিবালয় এখন সবচেয়ে বড় স্বৈরতন্ত্র ও গুণ্ডামির আস্তানা হয়ে উঠেছে, যেখানে আমাদের সাধারণ মানুষ হিসেবে গণ্যই করা হয় না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই অনিয়ম ও দৌরাত্ম্য বন্ধ না হলে চাকরিপ্রার্থীরা লাল ফিতার জটিলতা ও প্রভাবের শৃঙ্খল থেকে কখনোই মুক্তি পাবে না।এটি আমাদের জন্য সত্যিই দুর্ভাগ্য।’তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল বিসিএসের বৈষম্য রোধের দাবিতে, কিন্তু আজও পিএসসির কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা বিদ্যমান। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এখনো ভাগ-বাটোয়ারা ও পোস্টিং নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।তিনি আরো বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এখনই সংস্কার করা জরুরি।তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় চাকরিপ্রার্থীরা নেই। যারা সেখানে দায়িত্বে আছেন, তারা সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না। এই অদক্ষতা ও উদাসীনতার ফলেই নতুন প্রজন্মের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে।’হাসনাতের অভিযোগ, অভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছে আমলারা।তারা নিজেদের পদোন্নতি নিশ্চিত করেছে, কিন্তু সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের দুর্ভোগ এখনো কমেনি।তিনি বলেন, ‘পিএসসি আন্তরিকভাবে সংস্কারের চেষ্টা করছে। বিসিএস এক বছরের মধ্যে শেষ করার সুপারিশও করা হয়েছে। তবে চাকরি বিধি সংশোধনের এখতিয়ার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হাতে। তারা যদি এই অনিয়ম বন্ধ করতে না পারে, তাহলে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য থেকে চাকরিপ্রার্থীরা মুক্তি পাবে না।

রাজনীতি ২৬ অক্টোবর ২০২৫
411

নাগরিক প্রত্যাশা ও বিএনপির ৩১ দফা শীর্ষক পিপলস ডায়ালগ প্রোগ্রাম আয়োজনে এআর মামুন খান

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় মসজিদ মাঠে ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা তৃণমূলের সাধারণ নাগরিকদের মাঝে পৌঁছে দিতে এই ব্যতিক্রম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন  কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এআর মামুন খান। এসময়ে ডিজিটাল প্রজেক্টার এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষদের মাঝে চারটি পর্বের এর মাধ্যমে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে কেমন ছিলো তা প্রচার করা হয়।এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন চাকরিজীবী সাংবাদিক  সিএনজি ও রিকশাচালক  চা বিক্রেতা দোকানদার নাপিত  ইমাম  মন্দিরের পুরোহিতা আইনজীবী স্বাস্থ্যকর্মী চিকিৎসক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা প্রবাসী কৃষক জেলে কৃষি শ্রমিক এবং এলাকার সম্মানিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময়ে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান,বেতমোর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম ফেরদৌস রুম্মান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব তাহসিন জামান রুমেল, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহিন রেজা,  উপজেলা ছাত্রদল নেতা বায়জিদ আহমেদ সাব্বির প্রমুখএসময়ে মহিউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মালিহা তাবাসসুম মিম বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে নারীদের সুরক্ষা বিনামূল্য শিক্ষার ব্যবস্থা নিরাপদ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা প্রত্যাশা কৃষক আবু হানিফ বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে সুদমুক্ত কৃষি ঋণ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাহায্য খাল খনন প্রত্যাশা করিবেতমোর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম ফেরদৌস রুম্মান বলেন,বিগত স্বৈরাচার স্থানীয় সরকারকে ধ্বংস করে দিয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমার প্রত্যাশা থাকবে যেন স্থানীয় সরকারকে পূনরায় শক্তিশালী করা সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান বলেন, জিয়াউর রহমানের শাসনামল ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা সাধারণ নাগরিকদের মাঝে তুলে ধরতে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করছি। গত ১৭ বছরে হাসিনা সরকারের এই প্রজন্মের কাছে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার শাসনামল তাদের দেশ গঠনে ভূমিকা জানতে দেয়া হয়নি এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আমরা এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

সারাদেশ ২৫ অক্টোবর ২০২৫
18

কুয়াকাটায় দুই তরুণের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: খরগোশের বারবিকিউয়ে চমক

পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ভোজনরসিকদের চমকে দিয়েছেন দুই তরুণ উদ্যোক্তা। বেকারত্বের অভিশাপ কাটিয়ে তাঁরা শুরু করেছেন ভিন্নধর্মী খাদ্য ব্যবসা খরগোশের বারবিকিউ। শুরুটা মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে হলেও, ইতিমধ্যেই এই নতুন আইটেমে দারুণ সাড়া পড়েছে পর্যটক ও স্থানীয় ক্রেতাদের মধ্যে।৭নং লতাচাপলি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দিয়ার আমখোলা গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মোঃ ফাইজুল মল্লিক জানান, “আমরা দু’জনই বেকার ছিলাম। একদিন বন্ধুর সাথে বসে ভাবছিলাম, এলাকায় কীভাবে কিছু করা যায়। তখন মাথায় আসে  কুয়াকাটায় তো কেউ খরগোশের বারবিকিউ করে না! খরগোশ তো হারাম না, তাই ভাবলাম এটা শুরু করলে ভালোই হবে। এখন الحمد لله (আলহামদুলিল্লাহ) ভালো সাড়া পাচ্ছি।”তার সহযোগী বন্ধু ইব্রাহিম জানান, “খরগোশের বারবিকিউতে মানুষ আগ্রহী হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেলে দোকান খোলার পর থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতার ভিড় থাকে। আমরা আশা করছি ভবিষ্যতে আরও ভালো ব্যবসা হবে।”মো.ফাইজুল ও তার বন্ধু ইব্রাহিম কুয়াকাটার ফিশ ফ্রাই মার্কেটে “ফ্রেন্ডস বারবিকিউ অ্যান্ড ফিশ ফ্রাই” নামে দোকান চালু করেছেন। এখানে সামুদ্রিক মাছের পাশাপাশি নতুন সংযোজন হিসেবে খরগোশ ও কোয়েল পাখির বারবিকিউ বিক্রি হচ্ছে। নানা মশলা, সস ও সুগন্ধি মেরিনেশনে তৈরি এই বিশেষ খাবার ভোজনরসিকদের আকৃষ্ট করছে দারুণভাবে।এক ক্রেতা জানান, “খরগোশ হালাল প্রাণী, ইসলাম ধর্মে এটি খাওয়া জায়। খেতে অনেক সুস্বাদু, তাই কৌতূহলবশত খেয়েছি সত্যিই অসাধারণ।”ঢাকায় খরগোশের বারবিকিউ পরিচিত হলেও, কুয়াকাটায় এটি একেবারে নতুন উদ্যোগ। পর্যটকদের মতে, এ ধরনের নতুন খাবার পর্যটন অভিজ্ঞতাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে।ফিশ ফ্রাই মার্কেটের সভাপতি বলেন, “এই দোকানে প্রথমবারের মতো খরগোশের বারবিকিউ চালু হয়েছে। ভালো সাড়া পেলে ভবিষ্যতে আরও দোকান এ আইটেম বিক্রি শুরু করবে।”খরগোশের বৈধতা প্রসঙ্গে উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরা)এর সভাপতি কেএম বাচ্চু প্রতিবেদনের মাধ্যমে বলেন, “বন্য খরগোশ ধরা বা বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে খামারে উৎপাদিত বা গৃহপালিত খরগোশ বিক্রি ও খাওয়ায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই এ উদ্যোগ আইনসঙ্গত এবং প্রশংসনীয়।”(চ্যানেল এ) এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, উদ্যোক্তা মো.ফাইজুল মল্লিক আগে ঢাকায় একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে বাড়ি ফিরে এসে বন্ধুর সঙ্গে নতুন কিছু করার চিন্তা থেকে এ উদ্যোগ নেন।টোয়াক (ট্যুরিস্ট অর্গানাইজেশন অব কুয়াকাটা)-এর সদস্য আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, “খরগোশের মাংস খাওয়া ইসলামে জায়েজ। আলেম-ওলামাদের কাছ থেকেও আমরা এ বিষয়ে জেনেছি।”ফাইজুলের ছোট ভাই মোঃ আমানুল্লাহ ইসলাম, যিনি রাজাপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছেন বলে জানিয়েছেন এবং বর্তমানে মেশকাত জামাতের ছাত্র, তিনি কোরআন ও হাদীসের আলোকে খরগোশের মাংসের বৈধতা ব্যাখ্যা করেছেন।তিনি বলেন, “কোরআনে সরাসরি খরগোশের নাম উল্লেখ নেই, তবে আল্লাহ তাআলা সাধারণভাবে হালাল ও হারাম প্রাণীর সীমা নির্ধারণ করেছেন -‘তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সমস্ত উত্তম জিনিস, আর হারাম করা হয়েছে নাজায়েজ ও অপবিত্র বস্তু।’(সূরা আল-মায়িদাহ ৫:৪)অর্থাৎ, যেসব প্রাণী নাপাক, হিংস্র বা মাংসাশী নয় তাদের মাংস খাওয়া বৈধ। খরগোশ যেহেতু তৃণভোজী প্রাণী এবং হিংস্র নয়, তাই এ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হয়ে এটি হালাল হিসেবে বিবেচিত।”তিনি আরও শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন: প্রাণীটি হালাল উপায়ে (বিসমিল্লাহ বলে) জবাই করতে হবে।বন্য খরগোশ অবৈধভাবে শিকার করা যাবে না, কারণ তা আইন ও পরিবেশের দৃষ্টিতে অপরাধ।খামারে বা গৃহপালিত খরগোশ বৈধ উপায়ে জবাই করলে তা খাওয়া সম্পূর্ণভাবে হালাল।মোঃ আমানুল্লাহ ইসলামের এই ব্যাখ্যা স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে এবং উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে ধর্মীয় দিক থেকেও সমর্থন দিয়েছে।তবে এই দুই তরুণের সাহসী উদ্যোগ কেবল তাদের বেকারত্ব দূর করেনি, বরং কুয়াকাটার পর্যটন এলাকায় নতুন খাদ্য সংস্কৃতিরও সূচনা করেছে।

সারাদেশ ২৪ অক্টোবর ২০২৫
222

পতিত জমিতে মাল্টা চাষ করে, যুবকদের উদ্দ্যেক্তা করে তুলছেন - রনি মিত্র

যেদিতে চোখ যায়, শুধু মাল্টা ফলের বাগান। থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ ভিয়েতনাম জাতের মাল্টা। বাগানের গাছের ডাল গুলো যেনো মাল্টার ভারে নুয়ে পড়ছে। পতিত জমিতে মাল্টা আবাদ করে একজন সফল উদ্দ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বিজয়পুর এলাকার রনি মিত্র। এই বাগান থেকে বছরে আয় করছেন ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। রনি মিত্র, নিকুঞ্জ মল্লিক ও সুমন মল্লিকের এই মাল্টাবাগান দেখে স্থানীয় যুবকরা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।রনি মিত্রের মাল্টার বাগান পরিদর্শন করে জানা গেছে, ২০২২ সাল থেকে এক একর পতিত জমিতে উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় গড়ে তুলেছেন এই বিশাল মাল্টার বাগান। প্রথমে ৩শতাধিক এবং পরে আরে ২শত চারা রোপন করেছেন তিনি। বর্তমানে বাগানে প্রায় ৫ শতাধিকের বেশি চারা রয়েছে। চারা রোপণের দুই বছরের মধ্যেই মাল্টা বিক্রি শুরু করেছেন রনি মিত্র।ওই এলাকার কয়লা পোর্টের মামা-ভাগ্নের অনাবাদি পতিত এক একর জমিতে মাল্টার গাছ লাগিয়েছিলেন রনি। এই পতিত জমি প্রস্তুত, রাসায়নিক ও জৈব সার প্রদান, বিদ্যুৎ নামানো, শ্রমিক খরচ মিলে এ পর্যন্ত প্রায় ১২লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে বাগানে ৫ শতাধিকের বেশি চারা রয়েছে। চারা রোপণের দুই বছরেই মাল্টার বাজার জাতকরণ করতে পেরেছেন তিনি। প্রথম বছরেই মাল্টা বিক্রি করেছেন প্রায় দুই লাখ টাকার মতো। তবে এ বছর যে পরিমান মাল্টার ফলন হয়েছে তাতে ৪ থেকে ৫ লক্ষাধিক টাকার অধিক বিক্রি করতে পারবেন। এর পরের বছর মাল্টা বিক্রি এর দ্বিগুন হবে বলেও জানা তিনি। ভিয়েতনাম জাতের মাল্টা সুস্বাদু, রসালো ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। রনি মিত্রের মাল্টা বাগান দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবকগণ বাগান করার স¦প্ন দেখছেন। যুবকদের নিজের বাগানে এনে নানা পরমর্শ দিয়ে চাকরির আশায় বসে না থেকে, নিজের শ্রমেই নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করার পরিকল্পনাকারী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিশ্রমও করে যাচ্ছেন তিনি।  পাইকারী দরে মাল্টা নিতে আসা ব্যবসায়ী মিলন মিয়া জানান, বর্তমান পাইকারী মুল্যে আমরা ২,৬০০/- টাকায় প্রতিমন মাল্টা ক্রয় করতেছি। ভিয়েতনাম জাতের মাল্টা খুবই সুস্বাদু, রসালো ও স্বাস্থ্যসম্মত। যে কারণে এর চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। এখানের মাটি যে উর্বর, যদি সোমেশ^রী নদীতে যদি একটা ব্রিজ থাকতো, তাহলে বিজয়পুর এলাকার ফসল দিয়েই বৃহত্তর ময়মনসিংহে কৃষি বিপ্লব ঘটানো যেতো।অপর এক ব্যবসায়ী হারিছ মিয়া বলেন, এই বাগান থেকে মাল্টা নিয়ে আমরাও লাভবান। বাগানের ফলন যেভাবে আসছে, কয়েক বছরের মধ্যেই সকল খরচ উঠে যাবে। বিক্রি বেড়ে যাবে কয়েক গুণ। মাত্র আড়াই বছর বয়সী একেকটি গাছে দুই মণ পর্যন্ত মাল্টা ধরেছে। গাছের বয়স ও আকার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাল্টার পরিমাণ ও স্বাদ বাড়তে থাকে। এ দেখে আমি নিজেও মাল্টা চাষ করবো ভাবছি।রনি মিত্র জানান, পরিশ্রম কখনোই বৃথা যায়না। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে এই বাগান করেছি আমি। গত বছরের তুলনায় এ বছর যে পরিমাণ ফলন হয়েছে তাতে তার সব খরচ মিটিয়ে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা লাভবান হবে। আগামী বছর এর পরিমান দ্বিগুন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবার ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার অধিক বিক্রি করবেন বলে আশাবাদী। কিন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় বিক্রি নিয়ে একটু চিন্তায় আছি। তিনি আরো বলেন, যুবরাই পারে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোড়াতে। বিজয়পুর এলাকার মাটি যে উর্ব্বর, সোমেশ^রী নদীতে যদি একটা ব্রিজ থাকতো, তাহলে বিজয়পুর এলাকার যুবদের উৎপাদিত ধান, রবিশস্য এবং উৎপাদিত ফল বিক্রি দিয়েই সরাদেশে দুর্গাপুর উপজেলাকে একটা অর্থনৈতিক জোন হিসেবে পরিচিতি করানো যেতো। এথেকে কর্মহীন যুবসমাজ একজন সফল উদ্দ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠতো। দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রায়হানুল হক বলেন, আশপাশের উপজেলার তুলনায় দুর্গাপুরে প্রায় সব ধরনের ফসলই ভালো হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এখানে দিন দিন বেড়ে চলেছে মাল্টার চাষ। অত্র এলাকার কর্মহীন যুবদের উদ্দ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলছেন বাগানের মালিক রনি মিত্র। মাল্টা চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এই উপজেলার কৃষকরা।রণি মিত্র মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। ভিয়েতনাম জাতের মাল্টা সুস্বাদু, রসালো ও স্বাস্থ্যসম্মত। ওনার বাগানে এ বছর যে পরিমাণ ফলন হয়ে তাতে তিনি অনেক বেশি লাভবান হবেন। মাল্টা বাগানের গাছ প্রতি ১৫-২০ কেজি হারে বাজারজাত করতে পারবে। তার এই সফলতার কারণ যদি বলি, সম্পুর্নই উনার আগ্রহ ও বাগানের যতœ নিয়েছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের সহযোগিতা ছিল।

ময়মনসিংহ ২৩ অক্টোবর ২০২৫
222

শ্রীপুরে মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ করতো বলরাম দাস! অবশেষে গ্রেপ্তার

মা-বাবার কর্মস্থলে থাকার সুযোগে মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করতো বলরাম দাস নামের এক প্রতিবেশী। কিছুদিন পর শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ও পেটের পীড়ন  দৃশ্য মান দেখে সন্দেহ হয় তাঁর মা-বাবার। কৌশলে বিষয়টি নিশ্চিত জানতে পেরে থানায় অভিযোগ দিলে বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অমানুষিক এমন ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ী গ্রামে।রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলের দিকে গ্রেপ্তার বলরাম দাসকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক। গ্রেপ্তার বলরাম দাস (৫০) উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত অর্জুণ সরকারের ছেলে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় এক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তার পিতা স্থানীয় বাজারে সেলুন দোকান পরিচালনা করেন এবং মা একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন। থানায় মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,' বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা কাজ থেকে ফিরে দেখেন তার কন্যা পেটের ব্যথায় কষ্টভোগ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসায় কোনো উন্নতি হচ্ছিল না। এছাড়াও তার শারীরিক অস্বাভাবিক পরিবর্তন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে ভয়ে না জানালেও পরে তার কাছ থেকে ধর্ষণের নির্মমতা প্রকাশ পায়। পরে ঘটনার শিকার শিশুটির পিতা উজ্জল দাসের দায়ের করা অভিযোগটি থানায় দিলে সেটি মামলা আকারে রজু হয়। একই রাতে বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলায় উল্লেখ করা হয়, মা-বাবা কর্মস্থলে থাকায় এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে অভিযুক্ত বলরাম দাস। সে শিশুটিকে চা ও বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত বলরামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক আকাশ বাংলা নিউজকে বলেন,' শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়। একইদিন মামলা রুজুর পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামী বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় আসামীকে আদলতে পাঠানো হয়েছে। ভিক্টিমকে পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।'

সারাদেশ ২০ অক্টোবর ২০২৫
26

গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ১৬ সেনা কর্মকর্তার ১৫ জন হেফাজতে, একজন পলাতক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে চাকরিতে থাকা ১৬ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন। বাকি একজন কর্মকর্তা পলাতক বলে জানিয়েছে সেনাসদর।আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় অভিযুক্ত সদস্যদের বিষয়ে সেনাবাহিনী আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে।সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, গত মাসের ৫ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত সেনাবাহিনীর প্রমোশন বোর্ডের কার্যক্রম চলাকালে মেজর জেনারেল থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একত্রিত ছিলেন। এই বোর্ড শেষে অনুষ্ঠিত হয় জেনারেল কনফারেন্স ও ফরমেশন কমান্ডার কনফারেন্স, যেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল।৮ অক্টোবর দুপুরে বোর্ড শেষে বের হওয়ার পর জানা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার চার্জশিট দাখিল হয়েছে এবং ওই দিনই ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী, ২২ অক্টোবরের মধ্যে গ্রেপ্তার কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জাতীয় ১১ অক্টোবর ২০২৫
117