চ্যানেল এ
ডিসপ্লে সেটিংস
×
...
...
২৮°C
আংশিক মেঘলা

আপনি কী খুঁজতে চান?

"চাকরি" ফলাফল তারিখ নির্বাচন

কসবায় পৃথক অভিযানে ৩৪ কেজি গাঁজাসহ, গ্রেফতার ৩

 কসবা  পৃথক অভিযানে মোট ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আজ  বুধবার (১৫ এপ্রিল)  উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের তিনলাখপীর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুল্লাহ আল ফয়সাল (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার বহন করা একটি লাগেজ তল্লাশি করে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার কাউতলা এলাকার বাসিন্দা। আটক ফয়সাল নিজেকে বিজিবির চাকরিচ্যুত সদস্য বলে দাবি করেছেন। স্থানীয় বিজিবি সূত্র জানায়, আবদুল্লাহ আল ফয়সাল আগে বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন।  দুই মাসের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার পর তিনি আর কর্মস্থলে যোগদান করেননি। অন্যদিকে, কসবা  টি. আলী বাড়ি মোড় এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযানে শরীরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ৪ কেজি গাঁজাসহ মুরাদ  (৪০) ও হেলাল  (৪৩) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তারা নরসিংদীর  বাসিন্দা। এছাড়াও  জাজিয়ারা এলাকায় ওয়াসিম মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অভিনব কায়দায় ডিমের হাঁচির ভেতরে লুকিয়ে রাখা আরও ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, পৃথক এসব অভিযানে মোট ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল নিজেকে বিজিবির সাবেক সদস্য দাবি করলেও তার কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম ১৫ এপ্রিল ২০২৬
46

তরুণদের মধ্যে পড়াশোনার অনাগ্রহ‎

পড়াশোনা মানে শুধুই বইয়ের পড়া মুখস্থ করা নয় বরং এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মানুষ জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও চিন্তাশক্তি অর্জন করে। পড়াশোনা মানে কখনোই এমন হওয়া উচিত নয়, যে আপনি কোনো টপিক পড়লেন, মুখস্থ করলেন, বুঝলেন, পরীক্ষার খাতায় লিখে এ প্লাস পেলেন। বরং পড়াশোনা এমন হওয়া উচিত যাতে আপনি যা পড়লেন, তা বুঝলেন, বিশ্লেষণ করলেন এবং জীবনে প্রয়োগ করলেন। কিন্তু আফসোসের সাথে বলতে হয়, এখন পড়াশোনার গন্ডি শুধু মুখস্থ অব্দি সীমাবদ্ধ। জ্ঞান আহরণের ইচ্ছা কারো মধ্যেই নেই। উন্নত কিছু দেশে পড়াশোনার মান খুব ভালো থাকলেও বাংলাদেশের পড়াশোনার মান যেন একবারেই নিম্ন। যদি আমাদের দেশের পড়াশোনাকে বিশ্লেষণ করা হয় তবে দেখা যায়,আমাদের দেশে মূলত দুই ধরনের পড়াশোনা হয়ে থাকে। এক, একাডেমিক পড়াশোনা: যা স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ভাবে শিখানো হয়। যেমন গণিত, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য ইত্যাদি। দুই, নন-একাডেমিক পড়াশোনা : যা আমরা নিজের ইচ্ছায় অথবা কোনো ক্লাবের মাধ্যমে শিখি। যেমন: বই পড়া, বিতর্ক করা ইত্যাদি। পড়াশোনা যেই ধরনেরই হোক তার মূল লক্ষ্যই থাকে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি করা, চিন্তাশক্তি বাড়ানো, এবং নতুন কিছুর উদ্বোধন। কিন্তু বর্তমানে এরকম কিছু লক্ষ্য করা কঠিন।উল্টো দিনে দিনে আমাদের দেশের তরুণদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি অনাগ্রহ দেখা যায়। কারন আমাদের দেশে পড়াশোনার মান এতোটাই খারাপ হয়ে গেছে যে,এখন পড়াশোনাকে শুধু চাকরীর হাতিয়ার হিসেবেই দেখা হয়।মুখস্থভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা, সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার অভাব। ভালো শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করেও দেশে বেকারত্ব বৃদ্ধি, সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুধু টাকাকেই সফলতার মাপকাঠি হিসেবে দেখা, এই ধরনের সকল কারনে দেশের তরুণ প্রজন্ম শিক্ষা বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। একজন তরুণ যখন দেখে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেও সে কোনো চাকরী পাচ্ছে না,টাকার জন্য পরিবারের বোঝা হয়ে যাবে অপরদিকে কিছু সস্তা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সহজেই টাকা কামাতে পারছে, অথবা যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও কেউ লবিং করে চাকরী পাচ্ছে তখন ডিপ্রেশনে যাওয়া বা পড়ালেখার প্রতি বিমুখ হওয়া সেই তরুনদের জন্য স্বাভাবিক বিষয়। ফলে দেখা যাচ্ছে এই রকমের বিভিন্ন কারনে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে এখন দুই ধরনের পড়াশোনার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়। একটি অংশ যা উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, তারা পড়াশোনাকে জীবনের উন্নতি হাতিয়ার মনে করছে, পড়া মুখস্থ করে একটা চাকরি পেলেই জীবনে সফলতা অর্জন সম্ভব। অন্য একটি বড় অংশ যারা মনে করে পড়াশোনা করে ডিগ্রি পেলেও চাকরি বা সাফল্যের নিশ্চয়তা নেই। ফলে তারা বিকল্প পথ যেমন অনলাইন ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া, বা বিদেশে যাওয়ার চিন্তা বেছে নিচ্ছে।উপরের দুই ধরনের চিন্তাভাবনাই ভুল এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর। প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পড়াশোনাকে শুধুমাত্র মুখস্থ বিদ্যা হিসেবে ধরে নিয়েছে, ফলে এটি তাদের দীর্ঘস্থায়ী কোনো কাজেই দিচ্ছে না এবং দেশেরও কোনো উপকারে আসছে না, অথচ দেশের লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীদের হাজারো সময় এই মুখস্থ করার পিছনে নষ্ট হচ্ছে। আর দ্বিতীয় শ্রেণির চিন্তাভাবনা আপাতত দৃষ্টিতে সঠিক মনে হলে এটিও দুশ্চিন্তার কারন। তারা আত্মনির্ভরশীল বা উদ্যোক্তা হচ্ছে ঠিকই কিন্তু সুশিক্ষিত হচ্ছে না।তারা টাকা কামানো কেই জীবনের সফলতা মনে করছে। যদি কোনো জাতির অর্ধেক তরুণ শুধুমাত্র টাকা কামানো কেই জীবনের সফলতা মনে করে এবং পড়াশোনা কে অবহেলা করে তখন সেই দেশ অবনতির দিকে ধাবিত হয়। যদি এই অবস্থা চলমান থাকে তবে একসময় দেখা যাবে দেশে স্কুল থাকবে ঠিকই কিন্তু সেখানে পড়ার মতো শিক্ষার্থী পাওয়া যাবে না। তাই সরকারের উচিত দ্রুত শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার করা। সরকারের একথা মাথায় রাখা উচিত যে, শুধুমাত্র উন্নত স্কুল অবকাঠামো দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করবে না, তারজন্য প্রয়োজন শিক্ষাব্যবস্থার ভিতরে পরিবর্তন করতে হবে।লিখেছেন লাবনী আক্তার কবিতা, শিক্ষার্থী, লোকপ্রশাসন বিভাগজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষাঙ্গন ০১ এপ্রিল ২০২৬
35

‘নির্বাচনে যারা আমার জন্য কাজ করছেন তারাই আমার বড় আত্মীয়’ -প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, ‘মানুষের কত ধরণের রুপ তা নির্বাচনের সময় দেখেছি। নির্বাচনে যারা আমার জন্য কাজ করছেন তারাই আমার বড় আত্মীয়।  আমি নিজে অন্যায় অবিচার করি না। আর আমার সাথে কেউ থাকেন তারাও করবেন না। কেউ যদি অসহায় থাকেন তাদেরকে চাকরি বাকরি ব্যবসা বাণিজ্য দিয়ে আমরা সহায়তা করবো। কিন্তু ক্ষুত কুড়ার দিকে চোখ দেওয়া যাবে না। ইউনিয়ন পরিষদে চাল দেয় ১০-২০ কেজি চাল দিয়ে কী হয়? এই ছোট খাটো কাজের মাধ্যমে কেউ নিজেদের সম্মান নষ্ট করবেন না বিতর্কিত করবেনা না । ছোটখাটো হেল্প লাগলে আমি করবো। লিগ্যালভাবে কাজ করার ব্যবসা বাণিজ্য করার অনেক সুযোগ আছে, সেইগুলা আপনারা করেন। আগামী পঁাচ বছর পর যেন ভোট চাইতে না হয়। এলাকার লোক যেন বলতে না পারে ভিপি নুর ভালো প্রতিমন্ত্রী হয়েছে কিন্তু তার আশপাশের লোক জ্বালাইয়া মারছে। এ কথা যেন কেউ না বলে। আপনার ভালো মানুষ। আপনারা ঘরের মানুষ এজন্য পরে এসেছি।’ নুরুল হক বলেন,‘আমরা যদি বিজয়ী না হতাম তাহলে গলাচিপা-দশমিনায় এতোদিনে নরক নেমে আসতো। বাস্তবতাকে অস্বীকার করা যাবে না। নির্বাচনের আগেই হাতে পায়ে ধরেও তাদেরকে আনতে পারি নাই। এলাকায় কি ধরণের লুটপাট করেছে। নির্বাচনের আগের দিনেও রাতে আমাদের শেষ প্রোগামে আমাদের দুইজন লোককে মারাত্মকভাবে আহত করেছে। অনিচ্ছাকৃত ভুল আর বারবার পায়ে পাড়া দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরি বললে বুঝতে হবে এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আপাত দৃষ্টিতে কিছু লোক মনে হয় তারা প্রভাবশালী। আপনারা তাদের চিনেন, নির্বাচনের সময় কি করেছে তারা। কিন্তু আমার জায়গা থেকে ভুলে গেছি। কিন্তু মাঠে যারা কাজ করেছে তারা ভুলবে না। কারণ তাদেরকে অপমান অপদস্ত করেছে। এ মাঠের কেউ বলতে পারবেন না আমি বা আমার পরিবার দ্বারা আপনার কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘চরকাজল চরবিশ্বাসের লোকরা যদি একচেটিয়া ভোট না দিতো বিজয়ী হওয়া সম্ভব হতো না। পয়সাওয়ালা লোকরা তারা বিকিয়ে গেওলেও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ আপনারা বিজয়ী করেছেন। আপনারা মন থেকে বিবেক থেকে এলাকার ছেলের জন্য কাজ করছেন। এ জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। এ এলাকার জামায়েত বা চরমোনাইর সমর্থকরাও আমাদেরকে ভোট দিয়েছেন। এ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকরাও গলাচিপা গিয়েও আমাদের জন্য ভোট চেয়েছেন।’ রবিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল হাইস্কুল মাঠে ঈদ পুণর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়ন শাখার গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. আনিসুর রহমান হাওলাদারের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) য়ুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহআলম, গলাচিপা উপজেলার আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান, চরশিবা সাংগঠনিক ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক আব্দুস সোবাহান গাজী, চরকাজল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি নির্বাচিত হয়েছি। এর পর ২০১৯ সালে এলাকার মানুষ দলমত নির্বিশেষে একটা সংবর্ধনা করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তখন একটি মহল আমার গেট ভাঙ্গার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু গত ছয় বছরে আমি তাদের কিছু বলি নাই। নির্বাচনের সময়ও ব্যাপক উৎপাত, ডিস্টার্ব করেছে। তারা যদি মন থেকে  ভুল বুঝতে পারে আমার কাছে নয় এ এলাকার জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ। ক্ষমা চাইলে যদি মানুষ মাফ করে সেটা মানুষ মাফ করবে। আমি তো এলাকায় স্থায়ীভাবে থাকি না। হাসপাতাল থানা হলে ভোগ করবে এলাকার মানুষ। আমি শুধু বলবো আল্লাহ আপনারদের হেদায়েত করুক।’তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি চরকাজল-চরবিশ্বাসে এমবিবিএস ডাক্তার বসানোর। সব সময় না হলেও মাঝে মাঝে যেন বসে সে ব্যবস্থা করবো। চরকাজল চরবিশ্বাসের মানুষের  প্রত্যাশা এখানে একটা থানা হওয়া। সেটা যদি করে যেতে পারি সেটা আমাদের কাছে একটা ভালো লাগা হবে।’

গলাচিপা ২২ মার্চ ২০২৬
47

নেত্রকোনার পূর্বধলায় শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতা: পূর্বধলার সেই শিক্ষককে শোকজ

সরকারি চাকরির বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পূর্বধলা উপজেলার এক সহকারী শিক্ষকের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে নেত্রকোনা জেলা শিক্ষা অফিস।জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়-এর সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) মো. জায়েজুল ইসলাম সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা চিঠিতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা পেশাগত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা বিধিসম্মত নয়। একই সঙ্গে একাধিক আর্থিকভাবে লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকাও নিয়মবহির্ভূত।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক একটি দৈনিক পত্রিকায় পূর্বধলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং পাশাপাশি প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। এ বিষয়ে তিনি প্রয়োজনীয় অনুমতি গ্রহণ করেছেন কি না—তা জানতে চেয়ে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।চিঠিতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আগামী ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।এ বিষয়ে ঘাগড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালিব বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শিক্ষক জায়েজুল ইসলাম আমার মাধ্যমে শোকজের জবাব দেবেন। তবে শিক্ষা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাপ্ত ব্যাখ্যা ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
70

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের শোকজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ছয় কর্মকর্তাকে একযোগে শোকজ করা হয়েছে。 বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। শোকজপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন- কসবা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, মো. জুবায়ের মাহমুদ, ফরিদ আহম্মদ, নেপাল চন্দ্র দাস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মো. বিল্লাল হোসেন। শোকজ নোটিশে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে জনসভা ও প্রচারণায় অংশ নেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক মওলানা শিবলী নোমানী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই এই শোকজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শোকজ করা হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবী হয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া নির্বাচন কমিশনের বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি আরও জানান, আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।

চট্টগ্রাম ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
109

প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে বসেছে

নড়াইলে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে বসেছে। ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্ত ১৯১১ সালের (৬ জুন) তাঁর পিতা সত্যরঞ্জন গুপ্তের কর্মস্থল কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থান কলকাতায় হলেও তাঁর পৈত্রিক নিবাস নড়াইলের লোহাগড়ার উপজেলার ইত্না গ্রামে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান,চরম অবহেলায় নিমজ্জিত প্রখ্যাত এই বাঙ্গালি সাহিত্যিকের পৈত্রিক বাড়িটি এখনও অরক্ষিত। ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে বসেছে।ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয় যে, ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্ত চাকরিজীবী পিতার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান কালেই গাইবান্ধা হাইস্কুলসহ বেশ কয়েকটি স্কুলে তিনি পড়াশুনা করেন। অবশেষে ১৯৩০ সালে তিনি কোন্ন নগর হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরবর্তীতে কৃষ্ণনগর কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই তিনি আই. এস. সি পাস করে ডাক্তারি পড়ার জন্যে কারমাইকেল মেডিকেল কলেজে (বর্তমানে আর. জি. কর মেডিকেল কলেজ) ভর্তি হন।ডাক্তারী পাস করে বেশ কিছুদিন তিনি চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হন। অতঃপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর ডাক্তার হিসেবে যোগ দেন। চাকরি জীবনের বাধ্যবাধকতা তাঁর কাছে বিরক্তিকর মনে হওয়ায় তিনি এ চাকরি ত্যাগ করে কলকাতায় ব্যক্তিগত ভাবে আবার ডাক্তারী শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কলকাতায় বিশেষ পরিচিত হয়ে ওঠেন।নীহাররঞ্জন গুপ্তের সাহিত্যে হাতে খড়ি হয়ে ছিল সুদূর শৈশবেই। ষোল বছর বয়সেই তাঁর প্রথম লেখা উপন্যাস ‘রাজকুমারী’ পত্রিকায় ছাপা হয়। ডাক্তার নীহাররঞ্জন গুপ্ত পেশায় চিকিৎসক হলেও মানব মানবীর হৃদয়ের ঘাত-প্রতিঘাত ও মানবিক দ্বন্ধ-সংঘাতের একজন সুচারু রূপকার ছিলেন। রহস্য উপন্যাস লেখায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। কেবলমাত্র রহস্য উপন্যাস নয়, তাঁর সামাজিক উপন্যাস গুলি সুখপাঠ্য যা-পাঠককুলের হৃদয় আকৃষ্ট করে।তাঁর লিখিত উপন্যাসের সংখ্যা দুইশতেরও অধিক। তাঁর প্রকাশিত উপন্যাস গুলির মধ্যে ‘মঙ্গলসূত্র’, ‘উর্বশী সন্ধ্যা’, ‘উল্কা’, ‘বহ্নিশিখা’, ‘অজ্ঞাতবাস’, ‘অমৃত পাত্রখানি’, ‘ইস্কাবনের টেক্কা’, ‘অশান্ত ঘূর্ণি’, ‘মধুমতি থেকে ভাগীরতী’, ‘কোমল গান্ধার’, ‘অহল্যাঘুম’, ‘ঝড়’, ‘সেই মরু প্রান্তে’, ‘অপারেশন’, ‘ধূসর গোধূলী’, ‘উত্তর ফাল্গুনী’, ‘কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী’, ‘কা লোভ্রমর’, ‘ছিন্নপত্র’, ‘কালোহাত’, ‘ঘুম নেই’, ‘পদাবলী কীর্তন’, ‘লালু ভুলু’, ‘কলঙ্ককথা’, ‘হাসপাতাল’, ‘কজললতা’, ‘অস্থি ভাগীরথী তীরে’, ‘কন্যাকুমারী’, ‘সূর্য তপস্যা’, ‘মায়ামৃগ’, ‘ময়ূর মহল’, ‘বাদশা’, ‘রত্রি নিশীথে’, ‘কনকপ্রদীপ’, ‘মেঘকালো’, ‘কাগজের ফুল’, ‘নিরালাপ্রহর’, ‘রাতের গাড়ী’, ‘কন্যাকেশবতী’, ‘নীলতারা’, ‘নূপুর’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘মধুমিতা’, ‘মুখোশ’, ‘রাতের রজনী গন্ধা’ ও কিশোর সাহিত্য সমগ্র উল্যেখযোগ্য।ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের লিখিত বহু উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। আমাদের চলচ্চিত্র জগৎকে তিনি সুসমৃদ্ধ করেছে। তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ‘লালুভুলু’ পাঁচটি ভাষায় চিত্রায়িত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে উপন্যাসটি বাংলাদেশেও চিত্রায়িত হয় এবং দর্শক কুলের প্রশংসা অর্জন করে। নীহার রঞ্জনের অনেক উপন্যাস থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়েছে। বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস উল্কা দীর্ঘদিন ধরে থিয়েটারের দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে।চিকিৎসক হিসেবে অতি কর্ম চঞ্চল জীবনযাপনের মধ্যেও নীহার রঞ্জন রেখে গেছেন অসংখ্য সাহিত্যধর্মী সৃষ্টি,যা আপন সত্তায় ভাস্কর হয়ে থাকবে। নীহার রঞ্জন গুপ্ত ১৯৮৬ সালের ২০ জানুয়ারী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

সারাদেশ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
135

শ্রীপুর পৌরসভার ময়লার গাড়ীর চাকায় পিষ্ট হয়ে নিরাপত্তা প্রহরীর মৃত্যু

গাজীপুরের শ্রীপুরে নোমান হোম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড কারখানার ভিতরে পৌরসভার ময়লার গাড়ীর নিচে চাপা পড়ে নিরাপত্তা প্রহরী জসিম আহম্মেদ (৪৪) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৮টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার আনসার রোড (কলিম উদ্দিন চেয়ারম্যান) মোড়ে ওই কারখানার ভিতরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহত নিরাপত্তা প্রহরী জসিম আহম্মেদ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের চাইরবাড়িয়া গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্বখন্ড এলাকার আব্দুল মান্নানের বাড়ীতে ভাড়া থেকে নোমান শিল্প গ্রুপের নোমান হোম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড কারখানায় নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে চাকরি করতো।শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস বলেন, শ্রীপুর পৌরসভার ময়লার গাড়ি কারখানা থেকে ময়লা নেওয়ার জন্য কারখানায় প্রবেশ করছিল। কারখানার ভেতরে ১নং গেইটের উত্তর পাশে রাস্তার উপর দায়িত্ব পালন করছিল নিরাপত্তা প্রহরী জসিম আহম্মেদ। গাড়িটি কারখানায় প্রবেশের সময় দায়িত্বরত নিরাপত্তা প্রহরীকে ধাক্কা দিলে গাড়ীর চাকায় মাথা পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ পৌরসভার ময়লার গাড়ি আটক করলেও চালক পালিয়ে গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।নোমান শিল্প গ্রুপের নোমান হোম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ইকবাল হোসেনকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ না করায় এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমদ জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে

সারাদেশ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
119

জামায়াতে ইসলামী এমপি প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি: চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের এমপি প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি নিরাপদ রাষ্ট্র। শনিবার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের ভাটামাথা গ্রামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে সকল ধর্মের মানুষ নিরাপত্তা ও পূর্ণ স্বাধীনতার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, নারীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। যুব সমাজের জন্য প্রতি মাসে উচ্চশিক্ষায় বিনামূল্যে স্কলারশিপের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আখাউড়া–কসবা এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। আতাউর রহমান সরকার বলেন, এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার কর্তৃক বরাদ্দ আয়-ব্যয়ের হিসাব ৬ মাস অন্তর প্রকাশ করা হবে এবং প্রত্যেক গ্রামের প্রতিনিধিদের নিয়ে স্থানীয় উন্নয়ন কমিটি গঠন করা হবে। জনগণের সকল সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনে তা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। ধরখার ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আব্দুল হামিদ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন— আখাউড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসেন, সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন, জেলা শূরা সদস্য আব্দুল মুত্তালিব, কসবা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম সারোয়ার, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুলফিকার হায়দার রাফি, লন্ডন প্রবাসী জামিল ভুঁইয়া ও ইতালি প্রবাসী জিয়াউল করিম ভুঁইয়া প্রমুখ।

চট্টগ্রাম ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
112

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, কওমী মাদরাসার শিক্ষকদের স্কুল-কলেজে চাকরি দেয়া হবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, কওমী মাদরাসার শিক্ষকদের স্কুল-কলেজে চাকরি দেয়া হবে, সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামা দল দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারী) সকালে পৌরশহরের মারকাজ মসজিদ মাঠে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।দোয়া মাহফিল পুর্ব আলোচনা সভায় জমিয়তে বাংলাদেশ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মুফতি আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, জমিয়তে বাংলাদেশ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, সাধারন সম্পাদক মাওলানা এনাতুল্লাহ খান, যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ মিজানুর রহমান, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ হাসান সহ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামা দলের নেতাকর্মীগণ। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দীন মাস্টার, পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সহ-সভাপতি আইনুল হক বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী সহ বিএনপি ও তার সকল অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীগণ।দোয়া মাহফিল পুর্ব আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। উনি কেমন লোক ছিলেন, উনার নামাজে জানাযাতেই তা প্রমান হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানুষ তাঁর রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ ও অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি ছিলেন আপোষহীন ও দৃঢ়চেতা একজন রাষ্ট্রনায়ক, আলেম উলামাদের ছায়া শক্তি, যিনি দেশের সংকটময় সময়ে গণতন্ত্র রক্ষায় নিঃস্বার্থভাবে ভূমিকা রেখেছেন, কখনোই দেশ ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা করেননি। আপোষহীন নেত্রীর মৃত্যুতে দেশ এক রাজনৈতিক অভিভাবক হারিয়েছে। আজকের এই দোয়া মাহফিলে আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ্ যেনো উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

ময়মনসিংহ ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
153

নবীনগরে উদ্যোক্তা তৈরি ও অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণের অষ্টম সেমিনার অনুষ্ঠিত

‎তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং আত্মনির্ভরশীল মানবসম্পদ তৈরি করার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সার্বজনীন গ্রুপের উদ্যোগে অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎‎সার্বজনীন গ্রুপের অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (২০ তম সেশন) অংশ হিসেবে অষ্টম এই সেমিনারটি আজ ২০ ডিসেম্বর নবীনগর পৌর শহরের আয়েশা আমজাদ টাওয়ারের তৃতীয় তলায়*অনুষ্ঠিত হয়।‎‎আয়োজক সূত্র জানায়, তরুণদের ইতিবাচক মাইন্ডসেট গড়ে তোলা, দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা হওয়ার বাস্তব দিকনির্দেশনা দিতে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মোট ৫৬ জন উদ্যমী তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করছেন, যারা নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।‎‎সেমিনারের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সার্বজনীন গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন শান্তি বলেন, “চাকরির পেছনে ছুটে নয়, নিজেদের ভেতরের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান সময় তরুণদের জন্য সম্ভাবনার সময়। সঠিক প্রশিক্ষণ, ধৈর্য ও পরিশ্রম থাকলে যে কেউ সফল উদ্যোক্তা হতে পারে।”‎‎তিনি আরও বলেন, সার্বজনীন গ্রুপ তরুণদের পাশে থেকে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শের মাধ্যমে একটি দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তুলতে কাজ করছে।‎‎সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সার্বজনীন গ্রুপের পরিচালক তানজিনা আক্তার শিলা, প্রশিক্ষক রুমা আক্তার, সমন্বয়ক জামাল হোসেন পান্না, প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মকর্তা এস. এ. রুবেল সহ সংশ্লিষ্টরা। তারা প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন এবং বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।‎‎আয়োজকরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল দক্ষতা, যোগাযোগ কৌশল, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং বাস্তব ব্যবসায়িক ধারণা দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ সহায়তা, পরামর্শ ও নেটওয়ার্কিং সাপোর্ট দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।‎‎সার্বজনীন গ্রুপের এই উদ্যোগ নবীনগরসহ আশপাশের এলাকার তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব সৃষ্টি, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চট্টগ্রাম ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
114

গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা

গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নে সরগঘাট বাজার সংলগ্ন জমিরিয়া মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতে ইসলামীর এক বিশাল জনসভা ও ভোজ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ৩ আসনের পদপ্রার্থী বাংলাদেশ জামেয়াতে ইসলামী এর মনোনীত প্রার্থী ডঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও আমীর ,বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী, গাজীপুর জেলা এবং সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, গাজীপুর জেলা।প্রধান অতিথি বক্তব্য বলেন, মাদক মুক্ত দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত করতে এবং পিরুজালী ইউনিয়নের সকল অসমাপ্ত কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে করার লক্ষ্যে তাকে যেন প্রথমবারের মতো দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন এবং তাকে একটিবার গাজীপুর ৩ আসনের এমপি পদে নির্বাচিত করে গাজীপুর ৩ আসনকে একটি ইসলামের আদর্শের মডেল গাজীপুর হিসেবে গড়তে প্রতিশ্রুতি  দেন এবং সকলের পাশে থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, কিছু কিছু মানুষ মহিলাদের কে নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছেন যেন জামাত ইসলামের নির্বাচনে পাশ করলে গার্মেন্টসে চাকরি করতে না পারবে না এবং মহিলাদের পর্দার আড়ালে থেকে বের হতে না পারবে না এই ধরনের গজব থেকে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন এসব গুজব থেকে যেন কেউ কান দেয় তিনি বলেন মহিলাদের সকল কাজ এবং গার্মেন্টসে চাকরিও করতে পারবে এবং পর্দা করে সকল কাজকর্ম করতে পারবে, তিনি আরো বলেন গাজীপুরবাসীকে ইসলামের আদর্শের আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন:-গাজীপুর জেলা আমীর উপজেলা আমীর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, পিরুজালী ইউনিয়ন আমীর ও সাধারণ সম্পাদক: মোঃ কামরুজ্জামান মন্ডল।এবং ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি, নাহিদ আলম ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি ,নূর হোসেন ৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি, ইসাহাক মুসল্লী ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি, দেওয়ান আমিনুল ইসলাম ৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি, তোফায়েল আহমেদ ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি, খোরশেদ আলম ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি, হাবিবুর রহমান ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি, সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি, আমিনুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
2796

‎জকসু হবে অথবা প্রশাসন ক্যাম্পাস ছাড়বে : ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের কঠোর হুশিয়ারি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত না হলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করে ক্যাম্পাস ছাড়তে হবে বলে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল।‎‎আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ হুশিয়ারি দেন প্যানেলের সমাজসেবা সম্পাদক পদপ্রার্থী ও শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস শেখ।‎‎ফেরদৌস শেখ বলেন, “বিভিন্ন মহল থেকে পরিকল্পিতভাবে জকসু নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা চলছে। ভূমিকম্পের অজুহাতে অযথা ছুটি বাড়িয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা দৃশ্যমান। জকসু নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা সহ্য করা হবে না।”‎‎তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন এক প্যানেলকে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে শোকজ নোটিশ দিলেও আরেকটি প্যানেলের প্রকাশ্য লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এতে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে গভীর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”‎‎সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক সংকটের বিষয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। তাদের দাবি‎ভূমিকম্পের পর ঘোষিত দুই সপ্তাহের ছুটি ছিল অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত। এতে সেমিস্টারসূচি, পরীক্ষা ও চাকরি আবেদনের সুযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, অথচ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর মেরামতে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।‎‎ফেরদৌস শেখ আরও বলেন, “সম্পূরক বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা সময়মতো প্রকাশ করতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যে তালিকা প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থাকলেও ডিসেম্বরেও তা প্রকাশ করা হয়নি।”প্যানেল এক সপ্তাহের মধ্যে বৃত্তির তালিকা প্রকাশের দাবি জানায়।‎‎দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশে প্রশাসনের অনীহা নিয়েও ক্ষোভ জানান প্যানেল নেতারা। তাদের অভিযোগ শ্বেতপত্র প্রকাশ না হওয়ায় প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে গেছে, এমনকি সেনাবাহিনীও সম্পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে না।এছাড়া ৭ একরের অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পেও ‘রহস্যজনক ধীরগতি’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।‎‎সংবাদ সম্মেলনের শেষে ফেরদৌস শেখ বলেন,‎“জকসু নির্বাচন যথাসময়ে করতে হলে আগামী রবিবারের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের; তাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া আমরা মেনে নেব না।”

শিক্ষাঙ্গন ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
453
App Icon
অ্যাপ ইন্সটল করুন

দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।