বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
চ্যানেল এ
ডিসপ্লে সেটিংস
×
...
...
২৮°C
আংশিক মেঘলা

আপনি কী খুঁজতে চান?

"রাজনীতি" ফলাফল তারিখ নির্বাচন

‘গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়ার স্মরণে রাজশাহীতে শোকাবহ কর্মসূচি

রাজশাহীর চারঘাটে বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) নিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ও নিমপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এই শোকাবহ কর্মসূচি পালিত হয়।দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ জনাব মো: আবু সাইদ চাঁদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব দেবাশীষ রায় মধু।অনুষ্ঠানে চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকিরুল ইসলাম বিকুল, রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়ার ইসলাম বিপুল এবং নিমপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বিপ্লবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার উজ্জ্বল রাজনৈতিক জীবন, অসীম সাহস ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান স্মরণ করেন। পরে মরহুমার রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌস নসিবের কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো: আবু সাইদ চাঁদ বক্তব্যে বলে,বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তার আপসহীন সংগ্রাম আমাদের পথ প্রদর্শক হবে। আমরা তার রুহের শান্তি ও মুক্তির জন্য দোয়া করি।বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির দেবাশীষ রায় মধু বলেন, আমাদের নেতা, আমাদের প্রেরণা। তার অবদান সবসময় স্মরণীয় থাকবে। আমরা তার রুহের জন্য আল্লাহর নৈকট্য কামনা করি। 

রাজশাহী ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
14

কমরেড মণি সিংহের ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত

টংক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহ এর ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নানা আয়োজনে দিনব্যাপি এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে স্থানীয় টংঙ্ক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ও কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর চত্ত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কমরেড মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে পুষ্পস্তবক অর্পন, শোকর‌্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বিকেলে আলোচনা সভায় মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক, ডা. দিবালোক সিংহ এর সভাপতিত্বে ও সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় কমরেড মণি সিংহের জীবনীর উপর আলোচনা করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. তাইয়েবুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক অজয় সাহা, উপজেলা বিএনপির সহ:সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন মুকুল, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উদীচী উপজেলা সংসদের সভাপতি শামছুল আলম খান, কমরেড মনিসিংহ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ডাঃ সাকি খন্দকার, মেলা কমিটির সদস্য শফিউল আলম স্বপন, কবি বিদ্যুৎ সরকার সহ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন ও ক্ষেত মজুর সমিতির নেতৃবৃন্দ। আলোচনার শুরুতেই দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরবর্তিতে কমরেড মণিসিংহের জীবনীর উপর আলোচনা কালে বক্তারা বলেন, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে কেশরাম কটন মিলে শ্রমিকদের ১৩ দিন ব্যাপী ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিয়ে দাবি আদায়ের মাধ্যমে মণি সিংহ রাজনৈতিক কর্মকান্ডে প্রথম সফলতা অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সুসং-দুর্গাপুরে আসেন। এখানে অবস্থানকালে এখানকার কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে নেত্রকোণায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কিষাণ সভার মহাসম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ও অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। সারাজীবন মেহনতি মানুষের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী রাজনীতি করে গেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মহান নেতার জীবনী তুলে ধরতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের আজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ময়মনসিংহ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
64

জয়পুরহাট-১ আসনে নির্বাচনী চমক: ১২ দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন ফজলুর রহমান সাঈদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও হেভিওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট-১ (জয়পুরহাট সদর-পাঁচবিবি) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা দিন দিন জোরদার হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ।আজ ২৯ ডিসেম্বর সোমবার জয়পুরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ১২টি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, তারা শুধুমাত্র দলীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বরং মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদের সততা, স্বচ্ছ নেতৃত্ব, মানবিক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মতে, জনগণের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন,জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার অনেক আগ থেকেই মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ নীরবে, নিষ্ঠার সঙ্গে এবং কোনো প্রচার-প্রতিপত্তি ছাড়াই জয়পুরহাট-১ আসনের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দুর্যোগ, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতি উপেক্ষা করে মানবতার সেবায় নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন।মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ বলেন,আমি মানুষের সেবা করার নিয়ত নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছি। আজ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ যে আস্থা ও সমর্থন প্রকাশ করেছেন, তা আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে জয়পুরহাট-১ আসনের মানুষের কল্যাণেই নিজেকে নিয়োজিত রাখব।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,একই সঙ্গে ১২ দলের নেতাদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়া জয়পুরহাট-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে করে আসন্ন নির্বাচনে এই আসনটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে তারা মনে করছেন।মনোনয়ন জমা কার্যক্রমকে ঘিরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা ছিল প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর।

জয়পুরহাট ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
65

চট্টগ্রাম-১২ আসনে মনোনয়ন ফরম কিনলেন সৈয়দ সাদাত

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনলেন বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত আহমেদ। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তার পক্ষে মনোনয়ন ফরম কিনেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।এসময় পটিয়া উপজেলা বিএনপি নেতা হাজী দ্বীন মোহাম্মদ, পটিয়া উপজেলা বিএনপি নেতা জসীমউদ্দীন, মোহাম্মদ জাফর, মোহাম্মদ নাজিম, মোহাম্মদ শাহ আলম, মো. শওকত মোহাম্মদ বেলাল, যুবদল নেতা নাজিমুদ্দিন মো. সাখাওয়াত, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ রিয়াদসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য এনামুল হক এনাম। তাই, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন সৈয়দ সাদাত।  জানা যায়, সৈয়দ সাদাত আহমেদ এবিএন গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি। ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে ‘গুম’র শিকার হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ চার মাস অজানা স্থানে বন্দি থাকার পর তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয় এবং তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। প্রায় আট মাস পরে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পটিয়া বিএনপির রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হন। সৈয়দ সাদাত আহমেদ বলেন, আমি জনগণের সেবায় নিবেদিত। আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় আমি নিজে ভুক্তভোগী হয়েছি। তাই, পটিয়ার মানুষের অধিকার রক্ষায় আমি লড়াই করবো।

চট্টগ্রাম ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
202

রাণীশংকৈলে ‘ডেভিল হান্ট-২’ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা প্রশান্ত বসাক গ্রেপ্তার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘ডেভিল হান্ট-২’ জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত প্রায় ৯টার দিকে পৌর শহরের বন্দর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বন্দর এলাকার একটি দর্জির দোকান থেকে প্রশান্ত বসাক (৫২) নামের ওই নেতাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে একটি বিস্ফোরক সংক্রান্ত মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।গ্রেপ্তারকৃত প্রশান্ত বসাক রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য, গবেষণা ও মানবকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি পৌর শহরের বন্দর এলাকার বাসিন্দা এবং প্রয়াত মহেন্ত বসাকের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে রাতেই ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
169

লাল বানুর জীবনরক্ষায়,পাশে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী এই প্রতিপাদ্যে এবং মানবতার কল্যাণে রাজনীতি এই নীতিকে বাস্তব রূপ দিয়ে আবারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের সাকুয়া ইন্দ্রপুর গ্রামের অসহায় নারী লাল বানু খালার জীবনরক্ষাকারী অপারেশনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি।ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আয়োজনে লেঙ্গুরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে এসে নিজের মরণব্যাধির কথা জানতে পারেন লাল বানু খালা। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন, তিনি Thyroid Goiter রোগে আক্রান্ত এবং দ্রুত অপারেশন ছাড়া তার বেঁচে থাকার কোনো বিকল্প নেই। এই দুঃসংবাদ শুনে মুহূর্তেই ভেঙে পড়েন তিনি। মাথায় হাত দিয়ে ক্রন্দনরত অবস্থায় ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে খুঁজে বের করে অসহায় কণ্ঠে বলেন, অপারেশন না করলে আমি বাঁচবো না।সেই করুণ মুহূর্তে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দেন লাল বানু খালার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তিনি নিজেই নেবেন। তাঁর এই আশ্বাস যেন, অসহায় নারী লাল বানু খালা নতুন করে বেঁচে থাকার আশার আলো হয়ে আসে।এরপর ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় সকল মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। অবশেষে আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) লাল বানু কে ময়মনসিংহের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, আগামী ১ থেকে ২ দিনের মধ্যেই লাল বানু খালার Thyroidectomy অপারেশন সম্পন্ন করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, একজন জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা হয়েও সাধারণ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তারা মনে করেন, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক রাজনীতির ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিবে। এ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, রাজনীতি যদি মানুষের দুঃখে পাশে না দাঁড়ায়, তবে সে রাজনীতির কোনো মূল্য নেই। আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। মানবতার কল্যাণেই আমাদের পথচলা। তিনি দেশবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে লাল বানুর সফল অপারেশন ও দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।তিনি আরো বলেন, মানুষের পাশে থাকার এই দায়িত্ববোধ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। অসহায় মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমি ও আমার দল সর্বদা পাশে থাকব।

ময়মনসিংহ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
109

বিএনপি সংসদে গেলে ইসলামবিরোধী কোন আইন পাস হবে না : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা ১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বিএনপি জাতীয় সংসদে গেলে ইসলামবিরোধী কোনো আইন পাস হওয়ার কোন সুযোগ নেই।শনিবার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে উলামাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।এসময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ ইসলাম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। ফলে ইসলাম বা ধর্মবিরোধী কোনো আইন জনগণ কখনোই মেনে নেবে না।’তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কখনো বলি না যে আমাদের ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে। কিন্তু বর্তমানে কেউ কেউ এ ধরনের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এই বক্তব্য কতটুকু যুক্তিসংগত, তা আমার জানা নেই।’কায়সার কামাল বলেন, ‘বিএনপির কোন নেতা যদি কখনো ইসলামবিরোধী কোন বক্তব্য দিয়ে থাকেন, সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে। তবে দল হিসেবে বিএনপি কখনোই ইসলামবিরোধী কোন আইন প্রণয়নের পক্ষে নয় এবং বিএনপি সংসদে গেলে এমন কোন আইন পাস হতে দেয়া হবে না।’মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দল গঠনের পর সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে বিএনপি ইসলামকে পুঁজি করে রাজনীতি করতে চায় না; বরং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি সম্মান রেখেই রাজনীতি করে।’তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাস নিয়ে রাজনীতি করা অনুচিত। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত কল্যাণ সম্ভব।’বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।এই অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

ময়মনসিংহ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
359

ভাদসা ইউনিয়নে গৃহহীন ঊষা রানীর পাশে দাঁড়ালেন জামায়াতের এমপি প্রার্থী ফজলুর রহমান সাইদ

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের পাইকর দাড়িয়া গ্রামে গৃহহীন ও অসহায় ঊষা রানীর জন্য নতুন ঘর নির্মাণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ। স্বামী ও সন্তানহীন ঊষা রানী দীর্ঘদিন ধরে একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে বসবাস করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে জানতে পেরে তিনি এগিয়ে আসেন এবং ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক সহযোগিতায় তার জন্য নতুন ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।নতুন ঘরটি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন ভাদসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুল বাতেন, ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি আমির খসরু হিরুক, যুবনেতা সোহেল রানা,আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে ঊষা রানীর কুঁড়েঘরে পানি ঢুকত, শীতকালে বাতাসে কাঁপতে হতো, আর গ্রীষ্মে প্রচণ্ড রোদে ঘরটি থাকার অযোগ্য হয়ে পড়ত। মানবিক সংকটের বিষয়টি নেতৃবৃন্দের নজরে এলে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গেই ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়।ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত ঊষা রানী জানান, “আমার জীবনে কখনো ভাবিনি নতুন একটি ঘর পাব। আল্লাহ তাদের মঙ্গল করুন—তারা আমাকে নতুন করে বাঁচার শক্তি দিয়েছেন।এ ব্যাপারে এমপি প্রার্থী ফজলুর রহমান সাইদ বলেন,মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হওয়া আমার দায়িত্ব। সমাজের যে কোনো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে। এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে এ উদ্যোগের ব্যাপক প্রশংসা দেখা গেছে। তারা মনে করেন, রাজনীতি শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম নয়; মানুষের প্রকৃত কল্যাণে কাজ করাই একজন নেতার প্রধান দায়িত্ব—ফজলুর রহমান সাইদ সেই দায়িত্বই পালন করছেন।

জয়পুরহাট ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
911

গণ অধিকারের প্রার্থী এমপি হয় এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ রাস্তায় চলতে পারবে না

অনেকেই মন্তব্য করেছেন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে গণ অধিকারকে এমপি বানানোর জন্য যারা মাঠে নেমেছে, কোন কারণে যদি গণ অধিকারের প্রার্থী এমপি হয় এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ রাস্তায় চলতে পারবে না। তাদের নিরাপত্তা হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এমন অনেক রাজনৈতিক কৃতিত্ব আছে যাদেরকে আমরা আপনাদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের সঙ্গে নেই না। তাদেরকে গণ অধিকারে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। তাদের অতীতের কর্মকাণ্ড দেখবেন আমাদের কর্মকাণ্ড দেখবেন। যদি আমাদের কোন কিছুর কারণে আপনারা কষ্ট পেয়ে থাকেন আমাদের বিরুদ্ধে আপনারা সিদ্ধান্ত নিবেন, আর যদি তাদের আচার আচারণে কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিবেন।’ গলাচিপার আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বুধবার বিকেল ৫টায় ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় জনসভা ও দোয়া  মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।তিনি আরো বলেন, ‘এই এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের বলবো, আপনারা চিন্তা করুন এতো দিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিলো তারা কেবল তাদের সামর্থ অনুযায়ী আপনাদের জন্য চেষ্টা করেছে। কখন সফল হয়েছে কখনো ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি। আমাদেরও সফলতা ব্যর্থতা থাকতে পারে। যাকে ভোট দিলে যাকে সমর্থন দিলে এই জনপদে আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারবেন আপনার সন্তান নিরাপদে স্কুলে যেতে পারবে, আনাদের সম্পদ নিরাপদ থাকবে। আপনাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপদে থাকবে।’এ জনসভায় ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি  মো. সরোয়ার খন্দোকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার হাওলাদার, সহসভাপতি খন্দকার মিজানুর রহমান, এড. হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. মাসুম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মশিউর রহমান শাহিন প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।হাসান মামুন বলেন, ‘রাজনীতি করি জয় পরাজয় যাই হোক না কেন, আমি ব্যক্তি হাসান মামুন আপনাদের ডাকুয়ার নাতি, ভাগ্নে হিসেবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো। বিগত ১৭বছর আমরা যে আন্দোলন করেছি নির্যাতিত হয়েছি, কারা বরণ করেছি, আলহাজ্ব শাহজাহান খান জীবন দিয়েছেন অন্য কোন দলকে এখানে এমপি বানানোর জন্য নয়, অবশ্যই বিএনপির এমপি বানানোর জন্য শহিদরা জীবন দিয়েছেন।’তিনি বলেন, ‘আমরা জানি গলাচিপা-দশমিনায় (পটুয়াখালী-৩) শন্তিপূর্ণ জনপথ হিসেবে ১৭ বছর থাকার চেষ্টা করেছি। কখনো কখনো আওয়ামী লীগের হামলায় কিংবা অত্যাচারে আমরা নির্যাতিত হলাম। আইনের মাধ্যমে হোক আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে হোক আমরা এ জনপদে শান্তি ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আপনারা জানেন ৫ তারিখের পরে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের অভ্যুদয় হয়েছে। আচার আচারণে তারা সরকারি দলে চলে গেছে। তারা বিভিন্ন ইউনিয়নে উস্কানি দিচ্ছে, সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। চরবিশ্বাসে আমাদের দলীয় কার্যালয় ভেঙ্গে দিয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করেছে। আমরা ধৈর্য ধারণ করার চেষ্টা করেছি। ধৈর্যের মধ্য দিয়ে আমরা জাতীয়তাবাদী দলের বিজয় সিনিয়ে আনবো ইনশাল্লাহ

গলাচিপা ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
304

বৈঠাখালি নদীতে কাঠের সেতু নির্মাণ: জনদুর্ভোগে ত্বরিত সাড়া দিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

যাদের জন্য সেতু নির্মাণ, সেই ছাত্র-শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের হাতে উদ্বোধন; উপকৃত হবে ৬ গ্রামের হাজারো মানুষ,নেত্রকোণার দুর্গাপুর-কলমাকান্দা এলাকার জনজীবনে দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় সমস্যা ছিল “বৈঠাখালি মঙ্গল শরি” নদী পারাপার। নদীতে সারা বছর পানি থাকায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হতো শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কৃষক, নারী ও সাধারণ পথচারীদের। সরকারি উদ্যোগের অভাবে বহু বছর ধরে এলাকা ছিল অবহেলিত। আর সেই দুর্ভোগের মধ্যেই স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ১০৫ ফুট দীর্ঘ কাঠ-বাঁশের সেতু—যা নির্মাণ করে দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।২৯/১১২০২৫ ইং নাজিরপুর কৃষক সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেখতে পান—স্কুলের শ’খানেক ছাত্র-ছাত্রী এবং কয়েকজন শিক্ষক নদীর পাড়ে অসহায়ভাবে অপেক্ষা করছেন। তিনি গাড়ি থামিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ান এবং জানতে চান সমস্যার কারণ।শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানান, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কে জানান, স্যার, প্রতিদিনই এই নদী পার হতে গিয়ে আমরা বহু কষ্ট করি। বর্ষায় নৌকা না পেলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ থাকে। গ্রামবাসীর জন্যও নদী পার হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।এই কথাগুলো তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নেন—এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নির্দেশনা ও আশ্বাসে স্থানীয় জনগণ, ছাত্রদের অভিভাবক, যুবসমাজ এবং দলীয় কর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে এগিয়ে আসেন। মাত্র একদিনের প্রস্তুতির পরই শুরু হয় সেতু নির্মাণ। ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শুরু হওয়া এই কাজটি দিনে-রাতে অব্যাহত থাকে।নির্মিত সেতুর বৈশিষ্ট্য—দৈর্ঘ্য: ১০৫ ফুট ,প্রস্থ: ৫ ফুট কাঠ ও বাঁশের সমন্বয়ে মজবুতভাবে তৈরি বর্ষাকালসহ সারা বছর ব্যবহারযোগ্য করে নকশা করাস্থানীয় প্রবীণ নাগরিকদের মতে, “বিগত ৩০ বছরে এমন কাজ কেউ দেখেনি। এত দ্রুত সিদ্ধান্ত, এত দ্রুত কাজ—এটি এলাকার মানুষের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”১০ ডিসেম্বর: আবেগঘন উদ্বোধন ,মাত্র চার দিনের প্রচেষ্টায় সেতুটি ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে। এরপর ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, সেতুটির উদ্বোধনে ছিল অনন্য একটি দৃশ্য—কোনো রাজনৈতিক নেতা বা অতিথি নয়, সেতুটি উদ্বোধন করেন সেই শিশু-কিশোর, শিক্ষক এবং গ্রামবাসী, যাদের দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট লাঘবের জন্যই এটি নির্মাণ করা হয়েছে।উদ্বোধনী মুহূর্তে উপস্থিত লোকজন বলেন,“এটি শুধু একটি সেতু নয়—এটি আমাদের বাঁচার স্বস্তি, আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা।”৬ গ্রামের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবনতুন সেতুটি চালু হওয়ায় উপকৃত হবে—২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী,পার্শ্ববর্তী জামে মসজিদের অসংখ্য মুসল্লি,কৃষক, দিনমজুর, কর্মজীবী মানুষ,এবং মোট ৬টি গ্রামের সাধারণ মানুষ,যাদের প্রতিদিনের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।স্থানীয় নারীরা জানান, হাসপাতাল, বাজার ও স্কুলে যেতে আর আগের মতো দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগে প্রশংসা জানিয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন—মানুষের সমস্যা শুনে চুপ থাকা আমাদের কাজ নয়। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি কারণ মানুষের কষ্ট সহ্য হয় না। উন্নয়ন ও মানবসেবা—এই দুটি বিষয়ই আমার অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন,জনগণ সহযোগিতা করলে আরও অনেক এলাকায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে।এলাকার জনপ্রিয় মহল এবং প্রবীণদের মন্তব্য—ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেখিয়ে দিলেন—উদ্যোগ চাই, কাজ করা সম্ভব। এটি মানুষকে সম্মান দেওয়ার নজির। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা আজ নিশ্চিত হলো।দুর্গাপুর–কলমাকান্দা অঞ্চলের উন্নয়নে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সক্রিয় ভূমিকা মানুষের মধ্যে নতুন আস্থা সৃষ্টি করেছে। চিকিৎসা সহায়তা, রাস্তা-মেরামত, সেতু নির্মাণ, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো—সব ক্ষেত্রেই তাঁর কার্যক্রম জনমনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে।এই কাঠের সেতু তাই শুধু একটি স্থাপনা নয়—এটি জনকল্যাণমুখী রাজনীতির জীবন্ত উদাহরণ।

ময়মনসিংহ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
268

ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পোস্টার ছিঁড়ায়, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

 নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। অত্র উপজেলার খেঁটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কথা ভেবে ইতোমধ্যে নানাবিধ উন্নয়নমুলক কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপি‘র কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শুক্রবার (০৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কাকৈরগড়া ইউনিয়নের জনসাধারন, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের চলাচলের সুবিধার্থে ওই ইউনিয়নের গুদারিয়া ও নাগপুর এলাকার বালচ নদীর ওপর এক বিশাল কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিয়েছেন তিনি।এছাড়া সোমেশ^রী নদীর ওপর দিয়ে জনসাধারন ও পর্যটকদের চলাচলের সুবিধার্থে প্রায় পয়ত্রিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে আরো তিনটি কাঠের সেতু নির্মান করে দিয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ওই সেতু গুলো দিয়ে শুধুমাত্র যানবাহন পারাপার থেকে সামান্য টোল আদায় করা হবে এবং ওই টোলের লভ্যাংশের সকল টাকাই স্থানীয় মসজিদ, মন্দির সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমুলক কাজে বিতরণ করা হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।  এ ধরনের উন্নয়নমুলক কাজে বাঁধাগ্রস্থ্য করা এবং স্থানীয়দের মাঝে কলহ সৃষ্টির লক্ষে বালচ নদীর ওপর নির্মিত কাঠের সেতুর পাশের্^ টাঙ্গানো ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বড় বড় বেশ কয়েকটি পোস্টার রাতের আঁধারে কে বা কাহারা ছিঁড়ে ফেলায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) দুপুরে এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ আব্দুল হাসিব বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় সাঅধরণ ডায়েরী করেন।  স্থানীয় ব্যাবসায়ী নুরুল আমীন বলেন, সেতু নির্মানের আগে প্রতিমন ধান ষাট টাকা খরচ দিয়ে ঝাঞ্জাইল বাজারে বিক্রি করতাম। এখন কাঠের সেতু নির্মান হওয়ায় মাত্র দশ টাকা দিয়ে বাজারে ধান নিতে পারি। বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই আসা যাওয়া করতে পারে। ব্যারিস্টার সাহেব এই নির্মান করে দেওয়ার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। সেতুর পাশের্^ টাংগানো উনার পোস্টা ছিঁড়ে ফেলায় আমরা গ্রামবাসী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  এ নিয়ে কাকৈরগড়া ইউনিয়ন বিএনপি‘র সভাপতি গোলাম রাব্বি ভুইয়া সাংবাদিকদের বলেন, এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার জন্য এবং উন্নয়নমূলক কাজের বাধাগ্রস্থ করার লক্ষে কুচক্রী মহল এই ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে। মানবকি নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উন্নয়ন মুলক কাজ এবং আমাদের দলীয় শৃঙ্খলা দেখে তাদের সহ্য হচ্ছেনা। আমরা শান্তিপ্রিয় রাজনীতি বিশ^াস করি। রাতের আঁধারে আমাদের মানবিক নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে, আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ নিয়ে থানা জিডি করা হয়েছে, আশা করছি প্রশাসনের লোকজন দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।

ময়মনসিংহ ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
755

দেশ ব্যাপী মসজিদ–উপাসনালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি চেয়ারপার্সন, ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু আরোগ্য কামনায়  শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ঢাকাসহ সারাদেশে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জুম্মার নামাজ শেষে দেশের সব মসজিদে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় সারাদেশের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক, ধর্মপ্রাণ নাগরিক এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদগুলোতে আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি দেশের মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় আচারে দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সকল ধর্মের মানুষের মিলিত প্রার্থনা দেশের রাজনীতি, সমাজ ও জাতীয় জীবনে শান্তি, স্থিতি ও কল্যাণ বয়ে আনবে বলে বিএনপি আশা প্রকাশ করেছে।রিজভী আহ্বান জানান—বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সকল নেতা, স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, ধর্মপ্রাণ জনসাধারণ এবং শান্তিকামী মানুষ যাতে স্বপ্রণোদিতভাবে এই দোয়া কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যে ভূমিকা রেখেছেন—তার সুস্থতা আজ কেবল দল নয়, বরং জাতির প্রত্যাশা। তাই ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ময়মনসিংহ ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
141