চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ রাত্রি, প্রিয় পাঠক!
সতর্কতা: এই সংবাদটি ৬ মাসের বেশি পুরানো। তথ্যের ভিত্তি পরিবর্তন হতে পারে।

বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারী পাচারের চেষ্টা



বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারী পাচারের চেষ্টা

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারী পাচারের চেষ্টা, নেত্রকোণায় চীনা নাগরিকসহ আটক ২ 


    আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী অভিযোগে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় চীনের এক  নাগরিকসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।


    সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ। এর আগে  সকালে কেন্দুয়া পৌর শহরের কমলপুর এলাকা থেকে এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। 


    আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– চীনা নাগরিক লি উই হাও (৩০) এবং তার সহযোগী মো. ফরিদুল ইসলাম (৩২)। ফরিদুল কুড়িগ্রামের রাজারহাটের সুখদেব পশ্চিমপাড়ার মৃত আব্দুল হানিফ মিয়ার ছেলে। 


    পুলিশ জানায়, ঢাকায় কর্মরত কেন্দুয়ার কমলপুরের গার্মেন্টস কর্মী আলফা আক্তার(১৮) কে বিয়ে করে চীনের নাগরিক লি উই হাও ২০ সেপ্টেম্বর চীনের উদ্দেশ্যে রওনা করার পরিকল্পনা করছিলেন। আলফা আক্তারকে বিয়ে করা ও তাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার পরিবারের লোকজনকে এক লক্ষ টাকা প্রদানের বিষয়ে মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করেন লি উই হাও। এজন্য  আলফা আক্তার তার পরিবারের লোকজনের সাথে দেখা করা ও চীনের নাগরিক স্বামীকে দেখানোর উদ্দেশ্যে নিজের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। তাদের সাথে ছিলেন ফরিদুল ইসলাম নামের বাংলাদেশী এক নাগরিক (সন্দেহভাজন দালাল) ও আরো দুইজন মেয়ে। যাদের মধ্যে জামালপুরের  মেয়ে বৃষ্টির সাথে ১৪ সেপ্টেম্বর আরেকজন চীনের নাগরিকের বিয়ে হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়।


    আলফা আক্তারের পরিবারের লোকজন লি উই হাও এর সাথে কথা বলার সময় তার কাছ থেকে পাসপোর্ট নম্বর ও বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সময়ে বৈধ ডকুমেন্ট দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। তাদের সহযোগী বাংলাদেশী নাগরিক ফরিদুল কোন সন্তোষজনক উত্তর ও বৈধ কোন ডকুমেন্টস না দেখাতে পারায় আলফা আক্তারের পরিবারের লোকজন সন্দেহজনক হিসেবে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে কেন্দুয়া থানা পুলিশকে সংবাদ প্রদান করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে চীনের নাগরিক ও বাংলাদেশি সহযোগী ফরিদুল ইসলামকে  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদকালে তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের অধিকতর জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে  আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


    নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় এক নারীকে বিয়ে করে চীনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন চীনা নাগরিক লি উই হাও। আর এতে ফরিদুল দালাল হিসেবে কাজ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে সকালে তাদের আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। পরে থানায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক করা হয়। থানায় আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী অপরাধের অভিযোগে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পরে এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক
    খবরটি রেটিং দিন
    গড় রেটিং: 4.8/5 (142 ভোট)
    Google News

    গুগল নিউজে ফলো করুন

    সবার আগে সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

    Follow

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হোন

    খবরের সব আপডেট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে যুক্ত থাকুন

    Join Now
    আল আমিন হাওলাদার

    আল আমিন হাওলাদার

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি

    তিনি নিয়মিত রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আপনার মতামত লিখুন

    Loading...

    পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...

    চ্যানেল এ

    বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


    বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারী পাচারের চেষ্টা

    প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

    featured Image

    বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারী পাচারের চেষ্টা, নেত্রকোণায় চীনা নাগরিকসহ আটক ২ 


    আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী অভিযোগে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় চীনের এক  নাগরিকসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।


    সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ। এর আগে  সকালে কেন্দুয়া পৌর শহরের কমলপুর এলাকা থেকে এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। 


    আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– চীনা নাগরিক লি উই হাও (৩০) এবং তার সহযোগী মো. ফরিদুল ইসলাম (৩২)। ফরিদুল কুড়িগ্রামের রাজারহাটের সুখদেব পশ্চিমপাড়ার মৃত আব্দুল হানিফ মিয়ার ছেলে। 


    পুলিশ জানায়, ঢাকায় কর্মরত কেন্দুয়ার কমলপুরের গার্মেন্টস কর্মী আলফা আক্তার(১৮) কে বিয়ে করে চীনের নাগরিক লি উই হাও ২০ সেপ্টেম্বর চীনের উদ্দেশ্যে রওনা করার পরিকল্পনা করছিলেন। আলফা আক্তারকে বিয়ে করা ও তাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার পরিবারের লোকজনকে এক লক্ষ টাকা প্রদানের বিষয়ে মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করেন লি উই হাও। এজন্য  আলফা আক্তার তার পরিবারের লোকজনের সাথে দেখা করা ও চীনের নাগরিক স্বামীকে দেখানোর উদ্দেশ্যে নিজের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। তাদের সাথে ছিলেন ফরিদুল ইসলাম নামের বাংলাদেশী এক নাগরিক (সন্দেহভাজন দালাল) ও আরো দুইজন মেয়ে। যাদের মধ্যে জামালপুরের  মেয়ে বৃষ্টির সাথে ১৪ সেপ্টেম্বর আরেকজন চীনের নাগরিকের বিয়ে হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়।


    আলফা আক্তারের পরিবারের লোকজন লি উই হাও এর সাথে কথা বলার সময় তার কাছ থেকে পাসপোর্ট নম্বর ও বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সময়ে বৈধ ডকুমেন্ট দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। তাদের সহযোগী বাংলাদেশী নাগরিক ফরিদুল কোন সন্তোষজনক উত্তর ও বৈধ কোন ডকুমেন্টস না দেখাতে পারায় আলফা আক্তারের পরিবারের লোকজন সন্দেহজনক হিসেবে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে কেন্দুয়া থানা পুলিশকে সংবাদ প্রদান করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে চীনের নাগরিক ও বাংলাদেশি সহযোগী ফরিদুল ইসলামকে  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদকালে তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের অধিকতর জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে  আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


    নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় এক নারীকে বিয়ে করে চীনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন চীনা নাগরিক লি উই হাও। আর এতে ফরিদুল দালাল হিসেবে কাজ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে সকালে তাদের আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। পরে থানায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক করা হয়। থানায় আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী অপরাধের অভিযোগে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পরে এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।