চ্যানেল এ
লিংক কপি হয়েছে!
আপনি কি আগের জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে চান?
×

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

লোডিং...
শুভ সন্ধ্যা, প্রিয় পাঠক!

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি



পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

লাইক এবং শেয়ার দেখুন
সংবাদের বিষয়সূচি

    পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কসবা-আখাউড়া সীমান্তে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে। দুশ্চিন্তায় দেশীয় খামারিরা, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় গরুর চোরাচালান আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা দিয়ে প্রতিদিনই অবৈধভাবে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এতে একদিকে যেমন সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়ছেন দেশীয় খামারিরাবিজিবিস্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তে বিজিবির তৎপরতায় মাঝেমধ্যে কয়েকটি গরুর চালান আটক হলেও অধিকাংশ গরুই বিভিন্ন চোরাইপথ ব্যবহার করে দেশে প্রবেশ করছে।

    কসবার বায়েক, পুটিয়া, খাদলা, গোপীনাথপুর এবং আখাউড়ার সেনারবাদি সীমান্ত, হীরাপুর, আনোয়ারপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক ও বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন।

    তারা সীমান্তের পাহাড়ি টিলা, নদীপথ ও দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে রাত কিংবা ভোরে ভারতীয় গরুসহ বিভিন্ন পণ্য ও মাদক পাচার করছে। কখনও কাঁটাতারের বেড়া কেটে, আবার কখনও মই ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভারতীয় গরুর চোরাচালান আরও বেড়ে গেছে।

    সীমান্তের কয়েকটি এলাকাকে ইতোমধ্যে চোরাকারবারিদের “হটস্পট” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা মাঝে মধ্যে চোরাইপথে আসা গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলকিছু জনপ্রতিনিধি বিভিন্নভাবে তদবির করে এসব গরু ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    অনেক ক্ষেত্রে আটক গরুকে দেশীয় গরু দাবি করে সুপারিশ করা হয় এবং পরে ভূয়া রসিদের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করা হয়। এভাবে প্রতিনিয়ত ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে আসা গরুর কারণে দেশীয় খামারিদের গরু বিক্রি কমে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তারেক মাহমুদ বলেন, “প্রতিবছর ভারতীয় গরু অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করায় দেশীয় খামারিদের গরুর চাহিদা কমে যাচ্ছে। এতে খামারিরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং অনেক খামার বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়েছে।”

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছামিউল ইসলাম বলেন, “চোরাকারবারিদের ঠেকাতে বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের জিরো লাইনের পাশে একাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে।”

    অফিসার ইনচার্জ কসবা থানা নাজনীন সুলতানা বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও আটক করতে নিয়মিত টহল এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল

    নেপাল চন্দ্র সাহা, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা। তারিখ- ১৩.০৫.২০২৬ইঙ'।

    এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?
    👍
    লাইক
    ❤️
    ভালোবাসি
    😂
    হা হা
    😮
    ওয়াও
    😢
    দুঃখজনক
    খবরটি রেটিং দিন
    গড় রেটিং: 4.8/5 (142 ভোট)
    Google News

    গুগল নিউজে ফলো করুন

    সবার আগে সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

    Follow

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হোন

    খবরের সব আপডেট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে যুক্ত থাকুন

    Join Now

    বিষয় : ভারতীয় গরু

    মোঃ শরীফুল ইসলাম

    মোঃ শরীফুল ইসলাম

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কসবা উপজেলা প্রতিনিধি

    তিনি নিয়মিত রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আপনার মতামত লিখুন

    Loading...

    পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...

    চ্যানেল এ

    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


    পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি

    প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

    featured Image

    পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কসবা-আখাউড়া সীমান্তে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে। দুশ্চিন্তায় দেশীয় খামারিরা, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় গরুর চোরাচালান আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা দিয়ে প্রতিদিনই অবৈধভাবে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এতে একদিকে যেমন সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়ছেন দেশীয় খামারিরাবিজিবিস্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তে বিজিবির তৎপরতায় মাঝেমধ্যে কয়েকটি গরুর চালান আটক হলেও অধিকাংশ গরুই বিভিন্ন চোরাইপথ ব্যবহার করে দেশে প্রবেশ করছে।

    কসবার বায়েক, পুটিয়া, খাদলা, গোপীনাথপুর এবং আখাউড়ার সেনারবাদি সীমান্ত, হীরাপুর, আনোয়ারপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক ও বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন।

    তারা সীমান্তের পাহাড়ি টিলা, নদীপথ ও দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে রাত কিংবা ভোরে ভারতীয় গরুসহ বিভিন্ন পণ্য ও মাদক পাচার করছে। কখনও কাঁটাতারের বেড়া কেটে, আবার কখনও মই ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভারতীয় গরুর চোরাচালান আরও বেড়ে গেছে।

    সীমান্তের কয়েকটি এলাকাকে ইতোমধ্যে চোরাকারবারিদের “হটস্পট” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা মাঝে মধ্যে চোরাইপথে আসা গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলকিছু জনপ্রতিনিধি বিভিন্নভাবে তদবির করে এসব গরু ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    অনেক ক্ষেত্রে আটক গরুকে দেশীয় গরু দাবি করে সুপারিশ করা হয় এবং পরে ভূয়া রসিদের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করা হয়। এভাবে প্রতিনিয়ত ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে আসা গরুর কারণে দেশীয় খামারিদের গরু বিক্রি কমে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তারেক মাহমুদ বলেন, “প্রতিবছর ভারতীয় গরু অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করায় দেশীয় খামারিদের গরুর চাহিদা কমে যাচ্ছে। এতে খামারিরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং অনেক খামার বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়েছে।”

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছামিউল ইসলাম বলেন, “চোরাকারবারিদের ঠেকাতে বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের জিরো লাইনের পাশে একাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে।”

    অফিসার ইনচার্জ কসবা থানা নাজনীন সুলতানা বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও আটক করতে নিয়মিত টহল এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল

    নেপাল চন্দ্র সাহা, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা। তারিখ- ১৩.০৫.২০২৬ইঙ'।


    চ্যানেল এ

    মোবাইল নাম্বারঃ +8801602460060

    Email: hr.channela@gmail.com
    বিজ্ঞাপনঃ +8801602460060
    info@channelabd.com


    কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল এ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
    App Icon
    অ্যাপ ইন্সটল করুন

    দ্রুত এবং সহজে খবর পড়তে আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

    সর্বশেষ খবরের আপডেট চান?

    সবার আগে ব্রেকিং নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।